Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

West Bengal Municipal Elections: পুরভোটে কি কেন্দ্রীয় বাহিনী? কমিশনের উপর ছাড়ল হাই কোর্ট

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপরেই ছাড়ল কলকাতা হাইকোর্ট ৷ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কমিশনকে চব্বিশ ঘণ্টা সময় দিয়েছে আদালত৷

১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ১২ ঘন্টার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন চলাকালীন কোনও রকম অশান্তি হলে দায়বদ্ধ থাকবে কমিশন-ই। বুধবার এমনই রায় কলকাতা হাই কোর্টের। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে বিজেপি। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্ব আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে বলেও জানা গিয়েছে। বিজেপি সূত্রে আরও জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনাও করছে রাজ্য বিজেপি।

তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করালে সেই সিদ্ধান্তের পিছনে কী ব্যাখ্যা, তাও আদালতকে জানাতে হবে কমিশনকে৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোটে অশান্তি হলে তার দায়ও সম্পূর্ণ বর্তাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের উপরে৷ এ দিন এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ৷

পাশাপাশি নির্বাচনের প্রতিটি ফুটেজ এবং রেজিস্টার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে এবং নির্বাচন বাতিল নিয়ে আবেদনকারী চাইলে নতুন করে আবেদন করতে পারে বলেও এই দিন জানিয়েছে আদালত।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বরাষ্ট্র সচিব, ডিজিপি সহ রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে৷ পাশাপাশি যে জেলাগুলিতে ভোট হবে, সেখানকার এসপি, এসডিপিও সহ পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে কমিশনকে৷

আলোচনার পরে যদি কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী না ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়, তার কারণও লিখিত আকারে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট৷ পাশাপাশি, নিরপেক্ষ আইএএস অফিসারদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট৷ এ ছাড়াও কাঁথি পুরসভার সব ইভিএম পেপার সিল করার নির্দেশও দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ৷

যদিও হাইকোর্টের এই রায়ে অখুশি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব৷ এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সম্ভবত আজই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করতে চলেছে তারা৷ আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট৷ তার আগে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জানিয়েও সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বিজেপি৷

বিজেপি আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, ‘আমরা নির্দেশ পর্যালোচনা করছি। নির্দেশ খতিয়ে দেখার পরই কেন্দ্রীয় আইনজীবী সেলের সঙ্গে কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো৷

২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্য জুড়ে ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়েছে। ফল ঘোষণা ২ মার্চ। তার আগেই সুষ্ঠ এবং অবাধ নির্বাচনের দাবিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে মামলা দায়ের করে রাজ্য বিজেপি।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন