Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

রাজ্য বিজেপির নতুন বিপদ মুকুল-দিলীপ দ্বন্দ্ব:দেশের সময়ঃ

deshersamay

Share article:

রাজ্য বিজেপির নতুন বিপদ মুকুল-দিলীপ দ্বন্দ্ব–(দেশের সময়ঃ)-রাজ্য বিজেপির অবস্থা আর ভাল হচ্ছে না।বিজেপির শীর্ষ নেতারা বার বার বলা সত্ত্বেও রাজ্য বিজেপির সমস্যা কিছুতেই মিটছে না।ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের নানা কথা বলা হলেও কার্যক্ষেত্রে বার বার সামনে চলে আসছে রাজ্য বিজেপির ঘরোয়া কোন্দল।কিছুদিন আগে খোদ অমিত শাহ দিল্লিতে রাজ্য নেতাদের ডেকে জানিয়েছিলেন,এ রাজ্যে বিজেপি যেন ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়ার বার্তা সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়।সেই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য এ রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বৈর্গী রাজ্য নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসলেন আর সেই বৈঠকেই কিনা সরাসরি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লেন মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষ।এমনিতেই দিলীপ ঘোষ যে মুকুল রায়কে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছেন না সে কথা মকুল রায় বার বার কেন্দ্রীয় নেতাদের বলেছেন,দিলীপ ঘোষ কিছুতেই তাঁর জায়গা ছাড়তে রাজি নয়।মুকুলবাবু প্রথমে দিলীপ ঘোষকে মেনে নিয়েই কাজ করতে চাইছিলেন,কিছুটা কৌশলেই তিনি দিলীপ ঘোষকে বাগে আনার প্রয়াস করছিলেন।মুকুল রায় জানতেন কাজের সুযোগ পেলে তিনি কাজ ও সাফল্য দেখিয়েই দিল্লির নেতাদের কাছ থেকে সমাদর আদায় করে নিতে পারবেন।দিলীপ ঘোষরা তখন এমনিতেই কোণঠাসা হয়ে পড়বেন।তবে এই কৌশল বাস্তব না হতে দেবার জন্য দিলীপ ঘোষ ও তাঁর অনুগামীরা প্রথম থেকেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।তারা নানা ভাবে দিল্লির নেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে মুকুল রায় আসলে ডবল গেম খেলছেন,তিনি আসলে ভেতরে ভেতরে তৃণমূলকেই সাহায্য করতে চান।তাই মুকুলকে কোনভাবেই এ রাজ্যের বিজেপির সর্বেসর্বা হতে দেওয়া ঠিক হবে না।প্রথম দিকে দিল্লির নেতারা এটা যাচাই করে তবে পড়ের দিকে তাদের মনে হয় মুকুল রায়ের নির্বাচনি বুদ্ধি ব্যবহার করা দরকার।তাহলে বিজেপি লাভবান হতে পারে।মুকুল রায়ের রাজনৈতিক বোধ যে দিলীপ ঘোষের চেয়ে বেশী জোরদার তা বুঝে গিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতারা মুকুল রায়কে ব্যবহার করার কথা ভাবতেই ভয় পেয়ে যান দিলীপ ঘোষরা।তাই শুরু হয়ে যায় রাজ্য বিজেপিতে মুকুলকে কোণঠাসা করার নানা প্রক্রিয়া।এই বিষয়টা বুঝতে সময় নেননি মুকুল রায়ও।তিনিও পাল্টা কৌশল সাজাতে শুরু করেন।সেই কৌশলের অঙ্গ হিসেবেই কৈলাশ বিজয়বৈর্গীর কাছে এ রাজ্যের সংগঠনের দুর্বলতা তুলে ধরেন মুকুল রায়।একেবারে ধরে ধরে তিনি দেখিয়ে দেন কীভাবে সংগঠন বাড়ান যেত কিন্তু যায় নি।মুকুল রায়ের এই অভিযোগ যে তাঁকেই বিদ্ধ করতে চাইছে তা বুঝে মিটিং এ মেজাজ হারান দিলীপ ঘোষ।তর্কাতর্কীতে জড়িয়ে পড়েন মুকুল রায়ের সঙ্গে।বাইরে এটা কিছু না শুধুমাত্র দলের অভ্যন্তরের আলোচনা বললেও এটা যে রাজ্য বিজেপির নতুন বিপদ তা বোঝা যাচ্ছে বিজেপির অন্দরে কান পাতলেই।সূত্রের খবর মুকুল রায় আর কোন ভাবেই দিলীপ ঘোষকে মান্যতা দিয়ে কাজ করতে চাইছেন না,তিনি এবার দলটাকে নিজের মত করে সাজিয়ে নিতে চাইছেন।তাই অমিত শাহরা তাঁকে লোকসভা ভোটের প্রার্থীপদ চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়াটাকেই তিনি তার মত করে ব্যবহার করতে শুরু করে দিয়েছেন।মুকুল রায় সংগঠন সাজানোর কাজেও হাত দিতে শুরু করায়,অসন্তুষ্ট দিলীপ ঘোষ নাকি আবার সঙ্ঘের দায়িত্বে ফিরে যাবার কথাকে ভাবছেন।দলের কাজ এই দুই নেতার দ্বন্দ্বের ফলে ব্যহত হচ্ছে বলেও খবর।তবে এই নতুন সমস্যা মেটাতে কেন্দ্রীয় নেতারা শীঘ্রই বসবেন বলে জানা যাচ্ছে।কেউ কেউ বলছেন এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব প্রথম থেকেই ছিল তবে এবার তা একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে কারণ মুকুল রায় আর সময় নষ্ট না করে কিছু করে দেখাতে চাওয়ায়।কারণ মুকুল কিছু করে দেখালে তা দিলীপ ঘোষের ব্যর্থতা হিসেবেই চিহ্নিত হবে।তাই দিলীপ মুকুলকে ব্যর্থ দেখাতে চাইতে উঠে পড়ে লেগে গেছেন।তাই সকলে বলছে তৃণমূল নয় বিজেপির ভেতরে এখন মুকুল দিলীপ লড়াই সামাল দিতেই দিল্লির নেতাদের ব্যস্ত হয়ে উঠতে হবে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন