করোনায় মৃত্যুতে বিশ্বে অষ্টম স্থানে উঠে এল ভারত, সুস্থ হচ্ছেন ৫২ শতাংশ
deshersamay
দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ তার দাপিয়ে বেড়ানো অব্যাহত। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির হার চিন্তার বাড়িয়েছিল। গত দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতিদিনে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছিল গড়ে ৯ হাজারের বেশি। কখনও ১০ হাজার, কখনও ১১ হাজার আবার কখনও একদিনেই সংক্রমণের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছিল ১২ হাজার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবার সকাল ৮টার বুলেটিনে দেখা গেল, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণ ১০ হাজারের বেশি ঠিকই, তবে সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও ১০ হাজারের বেশি।
রোজ শুধু ভারতেই অন্তত ১০ হাজার জন নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। মৃত্যুও ঠেকানো যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১০,৬৬৭ জন। একদিনের মধ্যে আরও ৩৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে কোভিড-১৯ এর কারণে মারা গেলেন ৯,৯০০। মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ৯১ জন।

এই মৃত্যুর সংখ্যাই ভাবাচ্ছে ভারতকে। মোট মৃত্যুর নিরিখে বেলজিয়ামকে টপকে বিশ্বের অষ্টম স্থানে ভারত। সবথেকে বেশি মারা গেছেন মহারাষ্ট্রে। চার হাজার ১২৮ জন কোভিডে মৃত সেখানে। এর পরেই গুজরাট। সেখানে মৃত এর হাজার ৫০৫ জনের। রাজধানী দিল্লিতেও মৃত্যু সংখ্যা রোজ বাড়ছে। সেখানে এক হাজার ৪০০ জনের প্রাণ গেছে। মৃত্যুতে দেশের চতুর্থ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যে মোট মৃত ৪৮৫ জন। এর পর তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু (৪৭৯), মধ্যপ্রদেশ (৪৬৫), উত্তরপ্রদেশ (৩৯৯), রাজস্থান (৩০১), তেলঙ্গানা (১৮৭) ও হরিয়ানা (১০০)।

আক্রান্তের শীর্ষেও মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় দু’হাজার ৭৮৬ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। সে রাজ্যে মোট আক্রান্ত হলেন এক লক্ষ ১০ হাজার ৭৪৪ জন। এর পরই তামিলনাড়ু। সেখানে মোট আক্রান্ত ৪৬ হাজার ৫০৪ জন। রাজধানী দিল্লিতে মোট ৪২ হাজার ৮২৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গুজরাতে মোট আক্রান্ত ২৪ হাজার ৫৫ জন। পশ্চিমবঙ্গে মোট আক্রান্ত ১১ হাজার ৪৯৪।

এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ফের বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুপুর ৩টেয় পঞ্জাব, কেরল, অসম এবং অন্যান্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি সহ মোট ২১ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করবেন। বুধবারও মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি এবং গুজরাট সহ মোট ১৫ টি রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন।




