প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•পবিত্র মাটি, অথচ সম্মানে বৈষম্য: দুর্গাপুজোর বিশেষ ফটো সিরিজে সমাজের দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হেমশ্রী ভদ্র •সপ্তমীতে সুর চড়িয়ে নাম না করে খাদ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনুর •চোরবাগানের পর আপাতত বন্ধ হয়ে গেল শহরের একের পর এক বড় পুজোর দরজা ,আহতদের দেখতে হাসপাতালে শাহ •চোরবাগানে বিপর্যয়:পুজো কমিটির সম্পাদক সহ গ্রেফতার ৭! ব্যারিকেড নির্মাণ থেকে VIP পাস বিলিতে গাফিলতির অভিযোগ •সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে ১৯ জনের মৃত্যু!  মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, হাইকোর্টের বিচারপতির তত্ত্বাবধানে তদন্ত, ঘোষণা শুভেন্দুর

আদিবাসী প্রসূতি’মা’ও শিশুদের খেয়াল রাখতে প্রতিদিন নর্মদায় ১৮ কিমি নৌকা টানেন তরুণী রেলু

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ নর্মদা নদীতে নৌকায় চেপে যেতেই ভয় পান অনেকেই। কিন্তু ২৭ বছরের রেলু ভাসাভে এসবে পাত্তা দেন না। নিজে এই নর্মাদার বুকে নৌকা চালিয়ে রোজ ১৮ কিলোমিটার সওয়ারি করেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই, আদিবাসী শিশু ও মায়েদের খেয়াল রাখা। 

মহারাষ্ট্রর এক প্রত্যন্ত গ্রাম চিমালখাড়ি। সেখানেই অঙ্গনওয়ারিতে কাজ করেন রেলু। তাঁর দায়িত্ব, ছ’‌ বছরের কমবয়সি শিশু ও প্রসূতিরা ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছেন কিনা, বৃদ্ধি হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর রাখা। তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। আশপাশের সব আদিবাসী গ্রাম থেকে শিশু এবং মহিলারা এসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে যেতেন। 
কোভিড সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আদিবাসী প্রসূতি, শিশুরা আর অঙ্গনওয়াড়ি আসেন না। তা বলে রেলু তো আর বসে থাকতে পারেন না। তাই নিজে একটি নৌকা ভাড়া নিয়েছেন। সেই নৌকা চালিয়েই পৌঁছে যান দাদার এবং আলিগাটের আদিবাসী গ্রামে। সেসব জায়গায় যাওয়ার একমাত্র পথ হল নর্মদা নদী। 

গত এপ্রিল থেকে সপ্তাহে পাঁচ দিন নিজে নৌকা টেনে আশপাশের গ্রামে ঘুরছেন রেলু। ২৫টি সদ্যোজাত ও শিশু এবং সাত জন প্রসূতির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে চলেছেন তিনি। তাঁদের যেন পুষ্টির অভাব না হয়, তাই দেখেন তিনি। কাজটা খুব সহজ নয়। রেলু নিজেই জানালেন, রোজ অতক্ষণ ধরে নৌকার দাঁড় বেয়ে হাতে ব্যথা হত তাঁর। বাড়ি ফিরে যন্ত্রণায় ছটফট করতেন। এখন সয়ে গেছে। তবু হাল ছাড়েননি তিনি। 

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন