প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

অনুব্রতর কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ, বুকের এক্স-রেতে সমস্যা মিলেছে,আপাতত কলকাতাতেই চিকিৎসা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ করোনা হয়নি অনুব্রত মণ্ডলের। পরীক্ষায় রিপোর্ট এসেছে নেগেটিভ। প্রাথমিক চিকিৎসা ও অন্যান্য পরীক্ষা করার পরে হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। কমেছে শ্বাসের কষ্ট। তবে চেস্ট এক্স-রেতে কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন চিকিৎসকরা। আপাতত কলকাতার ফ্ল্যাটেই আছেন তিনি।

গতকাল হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে বোলপুর থেকে কলকাতায় আনা হয়। নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। তাঁর শরীরে অক্সিজেন কমে গেছিল। হালকা জ্বর, সঙ্গে সর্দি, কাশি ছিল। তবে কোভিড নয় বলেই নিশ্চিত হয়েছেন চিকিৎসকরা।

তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে,গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থতার কারণে গৃহবন্দি ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। বুধবার রাতেই তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তা আরও কিছুটা বাড়ায় দলীয় নেতৃতব নির্দেশ দেয় তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসার। এরপরেই বোলপুরে তাঁর বাড়িতে পৌঁছয় অ্যাম্বুলেন্স।

এমনিতেই অনুব্রত মণ্ডলের নানাবিধ শারীরিক সমস্যা রয়েছে। সেজন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো তাঁকে দু-বেলা বেশ কিছু ওষুধও খেতে হয়। বছর সাতেক আগেও তিনি একবার ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তারপর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের একটি সভায় গিয়ে খুব বকাবকি করেছিলেন কেষ্টকে। বলেছিলেন, ‘কেষ্টর এত অসুস্থতার কারণ ওর ওজন বেড়ে যাওয়া। সারাদিন এক জায়গায় বসে থাকবে, হাঁটাহাঁটি করবে না, ওজন বাড়বে না তো কী হবে।’

দিদির বকুনি খাওয়ার পর নিজের বাড়িতে ট্রেডমিল কিনেছিলেন অনুব্রত। তারপর গত কয়েকবছর ধরে তাতেই রোজ সকালে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে নিতেন অনুব্রত। কিন্তু এসবের মধ্যেই এদিন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন