প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

শব্দ সুরে প্রেম বিচ্ছেদ এবং….!’

deshersamay

Share article:

কলকাতা : অনেকদিন পরে কলকাতা শহর এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের সাক্ষী হল। ১১ সেপ্টেম্বর জ্ঞান মঞ্চে ‘ভোরের পাখি কবিতা সম্ভবা’র আয়োজনে গান ও কবিতা দিয়ে সাজানো অনুষ্ঠানে দীর্ঘ ১৬ বছর পরে গান গাইলেন সংগীত জগতের অনিবার্য নাম শুভেন্দু মাইতি। আবৃত্তি করলেন এ সময়ের প্রতিভাধর আবৃত্তিকার স্বপ্না দে’। গান ও কবিতা হাত ধরাধরি করে তৈরি করল এ আবেশী রূপকথা।

অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল, ‘শব্দ সুরে প্রেম বিচ্ছেদ এবং….।’ গান ও কবিতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে চলতি ধারণার উল্টোপথে হাঁটার অভিপ্রায় ছিল সমগ্র অনুষ্ঠান জুড়ে। স্বপ্না দে নামটি আবৃত্তির জগতে অতি পরিচিত নাম। কালিদাসের মেঘদূতম আবৃত্তি দিয়ে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান । তারপর শুভেন্দু মাইতি গাইলেন ।

প্রসঙ্গত, মেঘদূতম মঞ্চে আবৃত্তি করার সাহস সাম্প্রতিক সময়ে কেউ দেখিয়েছেন বলে মনে হয় না । স্বপ্নার নির্বাচন ছিল আশ্চর্য সুন্দর । কালিদাস, বিদ্যাপতি রবীন্দ্রনাথ, শক্তি, শঙ্খ, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ,জয় গোস্বামী, তসলিমা নাসরিন হয়ে তিনি যখন প্রেমেন্দ্র মিত্রের নীলকন্ঠ আবৃত্তি করলেন মনে হল প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর থেকে উঠে এল তাঁর স্বর । কীআশ্চর্য তাঁর স্বর প্রক্ষেপন ।

শুভেন্দু মাইতি কী অসাধারণ দক্ষতায় গেয়ে উঠলেন হেমাঙ্গ বিশ্বাসের সুরে শঙ্খচিল । আহা প্রান ভরে গেল | আর নজরুলের আগমনী কবিতার শেষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুরে শুভেন্দু যখন বন্দেমাতরম গেয়ে উঠলেন তখন একটা আশ্চর্য ছবি তৈরি হলো । সবশেষে স্বপ্নাযখন বন্দেমাতরম আবৃত্তি করলেন বুকের ভিতর এক অন্য অনুরনন অন্য লোমহর্ষ । সমস্ত হলে পিনপতনের শব্দ ছিল না । কানায় কানায় পূর্ণ হলে অনেকেই বসার জায়গা পাননি । তাঁরা দাঁড়িয়ে উপভোগ করলেন এমন একটি সন্ধ্যা।

প্রায় ষোলো বছর পরে, বিরাশি বছর বয়েসে আবার মঞ্চে উঠে গান গাইলেন শুভেন্দু মাইতি। এত বছর বয়েসেও তাঁর কন্ঠ যেন শানিত তরবারী । আর স্বপ্নার কন্ঠের যে
ওজোস্বীতা যে ধার তা ওঁর সম্পদ এই সময়ের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র । অনুষ্ঠানে আলো করেন সৌমেন মঞ্চ অরুণ আবহ শুভ্র ধ্বনি হাসি পাঞ্চাল এবং সঞ্চালনা দীপক ও প্রিয়া ।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন