‘জ্ঞানেশ কুমারকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে,’ দিল্লিতে রাহুল- সোনিয়াকে পাশে পেয়ে হুঙ্কার মমতার ,অক্টোবরেই দফায় দফায় কর্মসূচি
deshersamay

রাজ্যে ভোটে হেরে, জোটে বৈঠকে মমতা। রাহুল-সোনিয়াকে পাশে পেয়ে সুর চড়ালেন জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে, অভিযোগ করলেন ভোট লুঠ নিয়েও। অক্টোবরেই একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে ‘ইন্ডি’ জোট।

দিল্লিতে ইন্ডি জোটের হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের পর আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চরম আক্রমণ শানালেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । খাড়্গে, সোনিয়া গান্ধী এবং জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, অবিলম্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় এই আন্দোলন মাটি থেকে সোজা আকাশ এবং চাঁদ-সূর্য পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে।
দিল্লির মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশন ও ইভিএম ব্যবস্থাকে একহাত নিয়ে মমতা বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে হাইজ্যাক এবং কারচুপির শিকার হয়েছে। তাঁর কথায়, “হাইজেকিং কিয়া, কাউন্টিং রিগিং কিয়া। কেয়া নহি কিয়া হ্যায়! ইস্কে লিয়ে, হি মাস্ট রিজাইন ইমিডিয়েটলি!”

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের কার্যপলাপ ও প্রযুক্তিগত কারচুপির বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি সীমা খান্না নামের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন তোলেন, “কেন ইভিএম মেশিন জ্বালানো হল? ওই সীমা খান্না কে? সফটওয়্যার কোথা থেকে নিয়ে এল?”

মমতার দাবি, একটি বিশেষ সফটওয়্যার বানিয়ে গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ডেডলক বা পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধু বাংলাতেই প্রায় ৯২ লক্ষ ভোট বা নাম লুট করা হয়েছে এবং সারা ভারতে এই লুটের পরিমাণ ১৩ কোটির বেশি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের পদে জ্ঞানেশ কুমারের এক মুহূর্তও থাকার অধিকার নেই বলে তোপ দাগেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আন্দোলন যে আরও তীব্র রূপ নিতে চলেছে, এদিন তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার যদি না সরেন, তবে এই আন্দোলন বহুত দূর পর্যন্ত যাবে। মাটি থেকে আকাশ পর্যন্ত, চাঁদ-সূর্য পর্যন্ত যাবে! এটা আমাদের একসঙ্গে লড়তে হবে।”

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের কার্যপলাপ ও প্রযুক্তিগত কারচুপির বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি সীমা খান্না নামের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন তোলেন, “কেন ইভিএম মেশিন জ্বালানো হল? ওই সীমা খান্না কে? সফটওয়্যার কোথা থেকে নিয়ে এল?”
মমতার দাবি, একটি বিশেষ সফটওয়্যার বানিয়ে গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ডেডলক বা পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধু বাংলাতেই প্রায় ৯২ লক্ষ ভোট বা নাম লুট করা হয়েছে এবং সারা ভারতে এই লুটের পরিমাণ ১৩ কোটির বেশি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের পদে জ্ঞানেশ কুমারের এক মুহূর্তও থাকার অধিকার নেই বলে তোপ দাগেন তিনি।
ভোটচুরির অভিযোগ তুলে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠক শেষে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো কর্মসূচির কথা বলেন। খাড়গে জোটের মোট ছ’টি কর্মসূচির কথা বলেন এদিন-

১. অক্টোবরের ২ তারিখ থেকে ৮ তারিখ পর্যন্ত জেলাস্তরে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ যাত্রা।
২. ৬ অক্টোবর, সকল বিরোধী সাংসদরা নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সঙ্গেই তিনি বলেন, আজই যাওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছিল, তবে সকল সাংসদদের একত্রিত করার জন্যই ৬ অক্টবরের দিন ধার্য হয়েছে।
৩. বিরোধী দলনেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাইবেন।
৪. অক্টোবর-নভেম্বরেই পাঁচটি বড় র্যালির পরিকল্পনা ইন্ডিয়া জোটের।
৫. নভেম্বরে দিল্লিতে বড় র্যালির পরিকল্পনা।
