Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Padma Hilsa: ২০৮০ মেট্রিক টনের পর আরও ৪৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে পাড়ি দিচ্ছে ,ঢাকার অবাস্তব শর্তে চিন্তিত ইলিশ-কারবারিরা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্ক: ওপার বাংলার পদ্মার ইলিশ বাজারে ঢুকে গিয়েছে। বৃহস্পতিবারই বনগাঁ থেকে হাওড়া , গড়িয়াহাট, মানিকতলা সহ কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শহরের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এই ইলিশ। আরও ২৫২৯ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা যাবে বলে ঘোষণা করেছে ঢাকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ পূর্ব ঘোষিত ২০৮০ মেট্রিক টনের সঙ্গে যোগ করলে মোট ৪৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে পাড়ি দিচ্ছে। যা গত বছরের দ্বিগুণ। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, ইলিশ রপ্তানির মেয়াদ ১০ অক্টোবর নয়, ৩ অক্টোবরের মধ্যেই সারতে হবে।

এই ঘোষণা শোনার পর থেকেই এ পারের বাঙালিরা কার্যত চিন্তার মধ্যে পড়ে গিয়েছে। এত কম সময়ের মধ্যে ইলিশ আমদানি বা রপ্তানি কার্যত অসম্ভব বলেই ধরে নিচ্ছেন ভারত এবং বাংলাদেশের ইলিশ কারবারিরা। তবে ৪ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করছে ওপার বাংলা। পাশাপাশি ভারতেও ৩ অক্টোবরের পরে বন্ধ রাখা হচ্ছে বলেই ধারণা। 


এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনার মহম্মদ ইমরানের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে তিনি আর্জি জানিয়ে বলেছেন, ‘আপাতত ৩ অক্টোবর পর্যন্ত যা ইলিশ ঢোকার ঢুকুক। কিন্তু ২২ অক্টোবরের পরে ঢাকার ঘোষণা অনুযায়ী ধাপে ধাপে বাকি ইলিশও ঢুকতে দেওয়া হোক। ইলিশ বাজার এবং পরিকাঠামোর যা অবস্থা, তাতে একদিন ৫০ মেট্রিক টন পদ্মার ইলিশ ঢুকতে পারে।’

বুধ ও বৃহস্পতিবার দু’দিন ধরে গাড়ি বেনাপোলে ভিড় করায় ৯০ মেট্রিক টন ইলিশ ঢুকেছিল। এ দিন ঢুকেছে আরও ৪০ টন। কলকাতা বা রাজ্যের অন্যত্র এ দিন ইলিশের দর ছিল সাইজ় অনুযায়ী ৭০০-৮০০ থেকে ১২০০-১৩০০ টাকা কেজি।

ঢাকার ইলিশ-কারবারির কথায়, ‘‘এ বার একেবারে নাম্বার ওয়ান ইলিশ ইন্ডিয়ায় যাচ্ছে।তবে এত অল্প সময়ে অত ইলিশ পাঠানো সম্ভব নয়!’’ প্রধানত বরিশালের কাছে মনপুরা, হাকিমদ্দিন, তজিমুদ্দিন, পাথরঘাটা, মহীপুরের সেরা ইলিশ ঢাকা পাঠাচ্ছে। প্রথমে ৫২টি সংস্থাকে ৪০ মেট্রিক টন করে ইলিশ রফতানির ছাড়পত্র দেয় ঢাকা।

এর পরে আরও ৬৩টি সংস্থাকে সুযোগ দেওয়া হয়। ওপার বাংলার ব্যাবসায়ীরা মনেকরছেন, বেশি সংস্থাকে সুযোগ দিতেই ইলিশের পরিমাণ বাড়ানো হল বলে তাঁদের ধারণা৷ কিন্তু তাতে কারও লাভ হবে না। যশোরের ইলিশ -কারবারির কথায়, ইন্ডিয়ায় পুজোয় ইলিশ পাঠাতে চাই। নইলে ইলিশের বাড়তি জোগানে বাংলাদেশ ভাল দাম পাব না! কিন্তু এ বার বেশি ইলিশ পাঠানো যাবে না বলেই মনে করছেনতিনি।’

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন