Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

জুলাই থেকে রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’, স্বাস্থ্যসাথীর ৬ কোটি গ্রাহকই পাবেন সুবিধা, সার্ভাইক্যাল ক্যান্সা‌র প্রতিরোধে টিকাকরণ শুরু ৩০ মে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

deshersamay

Share article:

রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে শনিবার বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বৈঠকের পরে নবান্নে সাংবাদিক  সম্মেলন করে শুভেন্দু জানান, জুলাই মাস থেকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড দেওয়া শুরু হবে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সঙ্গে যুক্ত এমন ৬ কোটির বেশি উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। যাঁরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের উপভোক্তা নন, তাঁদেরও ধাপে ধাপে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। 

রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর এবার স্বাস্থ্য ক্ষেত্র নিয়ে নিজেদের রোডম্যাপ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ও পরিষেবা নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী জুলাই মাস থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বাস্তবায়িত হতে চলেছে কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প। বিগত তৃণমূল সরকারকে তীব্র নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, আগের সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সঙ্গে লাগাতার বিরোধিতা করে এসেছে। তবে নতুন সরকার রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতির জন্য ইতিমধ্যেই একটি সুনির্দিষ্ট ‘রোড ম্যাপ’ বা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে বর্তমানে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডের সুবিধা পাওয়া ৬ কোটিরও বেশি মানুষ সরাসরি এই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের আওতায় চলে আসবেন। এ ছাড়াও, যাঁরা নতুন করে এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে চান, তাঁদের জন্য বিশেষ বিকল্প ব্যবস্থার বন্দোবস্ত রাখছে রাজ্য সরকার। শুভেন্দুর কথায়, এই চিকিৎসার সুবিধা শুধু পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দারাই পাবেন না, বরং বাংলার বহু মানুষ যাঁরা রুটিরুজির টানে বা অন্য কোনও কারণে ভিন রাজ্যে বসবাস করছেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এই আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পকেটের বোঝা লাঘব করতে ওষুধের খরচ নিয়েও একটি বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পের অধীনে এবার থেকে বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির ওষুধের ক্ষেত্রে রোগীদের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে। এর ফলে রাজ্যের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলি মহার্ঘ চিকিৎসার বিপুল খরচের হাত থেকে বড়সড় রেহাই পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী ৩০ মে থেকে রাজ্যে সার্ভাইক্যাল ক্যান্সা‌র প্রতিরোধমূলক টিকাকরণের কাজ শুরু হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কর্মসূচির আওতায় রাজ্যে ৭ লক্ষের বেশি নাবালিকাকে এই ডোজ় দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ন্যাশনাল হেলথ মিশনে ভারত সরকার রাজ্যকে ২১০৩ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য করছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ৫০০ কোটি টাকা রাজ্যকে শনিবার দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে ৯৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery
Menu
© 2026 Desher Samay.