Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

সরকারে এলেই নাগরিকত্ব… মতুয়াদের বার্তা মোদীর

deshersamay

Share article:

ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে অনেকের নাম। তা নিয়ে মতুয়া উদ্বাস্তুদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসতে থাকায় ভোটের মুখে অস্বস্তিতেই পড়েছিল বিজেপি। সেই অস্বস্তি কাটাতে এ বার মতুয়া এবং নমঃশূদ্র সমাজকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, বিজেপি সরকারে এলেই মতুয়া এবং নমঃশূদ্র সমাজের মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ গতি পাবে।

এসআইআর পর্বে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় উদ্বেগেই ছিলেন বহু মতুয়া। স্থানীয় বিজেপি নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সিএএ (সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন)-তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব মিলবে। তার পরে ভোটার তালিকায় নামও উঠবে। এ কথা তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদী বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মুখ থেকেও শুনতে চাইছিলেন।

কিন্তু এর আগে বাংলায় ভোটের প্রচারে এসে মোদী বা শাহ কেউই মতুয়া বা নমঃশূদ্রদের বিষয়ে সেই ভাবে মুখ খোলেননি। দেননি কোনও প্রতিশ্রুতিই। তার জেরে মতুয়াদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। এর পর সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকাতেও বিবেচনাধীন বহু মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে মতুয়া উদ্বাস্তুদের বার্তা দিলেন মোদী।

শনিবার বর্ধমানের কাটোয়ায় মোদীর জনসভা ছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মতুয়া সমাজ, নমঃশূদ্র সমাজের মতো শরণার্থীদেরও আমি একটি গ্যারান্টি দিতে এসেছি। এখানে মতুয়া-নমঃশূদ্ররা তৃণমূলের কোনও নেতার কৃপায় নেই। দেশের সংবিধান আপনাদের সুরক্ষিত করেছে। মোদী সিএএ আইন বানিয়েছে, যাতে মতুয়া নমঃশূদ্ররা সাংবিধানিক আধিকার পান। এখানে বিজেপি সরকার গড়তেই শরণার্থীদের নাগরিত্ব দেওয়ার কাজ গতি পাবে। বঙ্গবিজেপি মতুয়া-নমঃশূদ্রদের জন্য অনেক ঘোষণাও করেছে। সব ঘোষণা কার্যকর হবে সরকার গঠনের পরেই।’

কিন্তু মোদীর এই ঘোষণার পরেও মতুয়া বা নমঃশূদ্রদের ক্ষোভ কতটা প্রশমিত হবে, তা বোঝা শক্ত। কারণ, বিচারাধীন তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। আপাতত তাঁরা ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এ দিকে, দু’দফায় ভোটের ভোটার তালিকাও ফ্রিজ় হয়ে গিয়েছে। ফলে ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় নাম উঠলেও, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা এখনও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।

মতুয়া-নমঃশূদ্রদের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রবেশকারীদেরও বার্তা দিয়েছেন মোদী। তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীদেরও তাড়ানো হবে। ব্যাগ-বাক্স গুছিয়ে ফেলুন। যারা অনুপ্রবেশকারীদের থাকতে দিয়েছে, ভুয়ো কাগজ বানিয়ে দিয়েছে, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিয়েছে, তাদের সকলেরও হিসাব হবে।’

বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ার পর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প রাজ্যে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোদী। তিনি বলেন, ‘পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে শিল্পীদের কেন্দ্রীয় সরকার প্রশিক্ষণ দেয়। অসমে এক লক্ষ মানুষ এই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বিহারেও পেয়েছেন। প্রত্যেকে ১৫ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যও পেয়েছেন। তৃণমূল এই প্রকল্প এখানে আনতে দেয়নি। অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে আপনাদের। সব প্রকল্পই চালু হবে।’

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery
Menu
© 2026 Desher Samay.