

সুপ্রিম কোর্টে I-PAC মামলার শুনানি শুরুর আগেই নয়া আর্জি ED-র। এ বার রাজ্যের DGP রাজীব কুমারের সাসপেনশন চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আরও একটি পিটিশন জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজীবের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযানের সময়ে দুর্ব্যবহার ও কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার সকালে সংস্থার তরফে পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মা এবং দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি প্রিয়ব্রত রায়কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হল। এদিন সুপ্রিম কোর্টে শুনানির শুরুতেই এই আর্জি দাখিল করা হয় ইডির পক্ষ থেকে।

গত সপ্তাহে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির (I-PAC) কলকাতা অফিসে ইডি তল্লাশি অভিযান চালায়। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় চলা ওই তল্লাশির সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইপ্যাকের অফিসে হাজির হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের শীর্ষস্তরের নেতারা। তাঁরা ইডি অফিসারদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ।

সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা অভিযোগে ইডি বলেছে, তল্লাশির জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং কিছু ডকুমেন্ট সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সংস্থার কাজে বাধা দেওয়ার শামিল। এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি পিকে মিশ্র ও বিপুল পাঞ্চোলির এজলাসে মামলাটির শুনানি শুরু হয়েছে। এই একই ঘটনা সংক্রান্ত মামলা ইডি এবং তৃণমূল কলকাতা হাইকোর্টে করলে বুধবার তৃণমূলের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, আইপ্য়াক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করেছে ইডি। প্রথম পিটিশনটি দায়ের করা হল ইডির তরফে। দ্বিতীয় পিটিশনটি দায়ের করলেন ইডির তিন আধিকারিক — নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতে রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে। সেই মামলারই শুনানি রয়েছে আজ। তবে তার আগেই ফের রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আর্জি ইডির।




