Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বনগাঁ আদালতে গোপন জবানবন্দি অভিনেত্রী মিমির ,অভিযুক্ত তনয়-সহ তিনজনের, কী নির্দেশ দিল আদালত ?

deshersamay

Share article:

বনগাঁয় হাজির টলি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এ দিন তিনি বনগাঁ আদালতে গোপন জবানবন্দি দেন তনয় শাস্ত্রী-র বিরুদ্ধে তোলা হেনস্থা মামলায়। সেদিনও যা অভিযোগ করেছিলেন,আজও তাতে অনড় অভিনেত্রী। তনয় শাস্ত্রী ছাড়া ক্লাবের অন্যান্যদের ব্যবহার খুবই ভালো।

সম্প্রতি বনগাঁতে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে অসম্মানিত হন। তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় দেরি করে আসার অভিযোগে। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেও ক্লাবের অন্যতম সদস্য তনয় শাস্ত্রীর নামে হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন অভিনেত্রী। তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার হন তনয় শাস্ত্রী। এদিন এই কেসের শুনানিতে বনগাঁ মহকুমা আদালতে আসেন। 

এদিন প্রমাণ পেশ করতে এসে মিমি চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আদালতের তো একটা কার্যপদ্ধতি থাকে। আমার যা বলার আমি বিচারপতির সামনে বলব। আমার লড়াই মিথ্যের বিরুদ্ধে ছিল। আমার নামে যে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে ছিল। আর তার বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে।” 
এরপর যখন সাংবাদিকরা জানান যে তনয় শাস্ত্রী বলেছেন তাঁকে ‘দেখে নেবেন’, জবাবে নায়িকা কেবল থাম্বস আপ দেখান।


এদিন তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে মিমি চক্রবর্তী বলেন, “ক্লাবের বাকি সবাই খুব ভাল ছিলেন। আমায় খুব ভাল ভাবে গাড়িতে তুলে দিয়েছেন। এবং সেখান থেকে আমি বেরিয়ে যাই। আমার যেটা এবং যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেটা এখনও বহাল আছে, কারণ আমি নেমে আসার পরও অনুষ্ঠান হয়েছে। আর সেটার প্রমাণ দিতেই আমি এখানে এসেছি।”

২৫ জানুয়ারি বনগাঁর নয়া গোপাল গুঞ্জ যুব সংঘে তাঁর একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে পৌঁছতে তাঁর ঘণ্টাখানেক দেরি হয়। এরপর তৈরি হয় মিমি মঞ্চে ওঠেন। বরাবরের মতোই প্রচুর দর্শক তাঁকে দেখতে, তাঁর সঙ্গে ছবি তুলতে উন্মুখ হয়ে ছিলেন। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানের মাঝে মিমিকে মঞ্চ থেকে কার্যত জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়।

সমাজমাধ্যমে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আজ আমরা প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছি, আমরা কথা বলছি সমাজের স্বাধীনতা ও সমান মর্যাদাকে নিয়ে। কিন্তু আজও মহিলা শিল্পীদের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়া সহজ। আমি এত বছর ধরে আমার একটা ভাবমূর্তি তৈরি করেছি। কিন্তু এবার চুপ করে থাকা মানে শিল্পীদের হেনস্থাকে সমর্থন করা।’

মিমি আরও লেখেন, ‘স্টেজের অধিকার নিয়ে কোনও আপোষ করতে পারব না। বিষয়টা এখন আইনি পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তাই এখন এই বিষয়ে আর কথা বাড়াতে চাই না।’


যদিও এই বিষয়ে ক্লাব কর্মকর্তা রাহুল বসু শোভন দাস বলেন, “মিমি চক্রবর্তীকে কোনও অসম্মান করা হয়নি৷ তিনি এক ঘণ্টা দেরি করে রাত সাড়ে এগারোটার পর মঞ্চে ওঠেন৷ প্রশাসনের দেওয়া টাইম এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে আমরা ঠিক বারোটায় অনুষ্ঠান বন্ধ করি৷ ওঁর অনুষ্ঠান চলাকালীন অনুষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা ওঁর অসম্মানিত মনে হতে পারে কিন্তু আমরা ওঁকে সসম্মানেই বিদায় দিয়েছি। উপরন্ত ক্লাবের মহিলারা মিমি চক্রবর্তীকে ফুল দিয়ে বরণ করতে গেলে তাঁর দেহরক্ষীরা ধাক্কা মারে। আমরা মিমিদেবীর সম্মানের দিকে তাকিয়ে সে অভিযোগ করিনি৷ তাই ওঁর অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন