Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

অতীতের ফাইলে দুর্নীতি নজরে এলে জেল যাত্রার হুঁশিয়ারি খাদ্যমন্ত্রী অশোকের

deshersamay

Share article:

নতুন বিজেপি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শনিবার ব্রিগেডে শপথ নিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। এ দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই রাজ্যের খাদ্য দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হলো অশোক কীর্তনিয়াকে। খাদ্য দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি অশোক।উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁর ঘরের ছেলে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার খবরে উচ্ছ্বসিত বনগাঁর বিজেপি কর্মী থেকে খাদ্যমন্ত্রীর পরিবারের লোকজন।

দায়িত্ব নিয়ে অশোক কীর্তনীয়া বলেন, ‘দুর্নীতি এখন অতীত। আমার সময়ে খাদ্য দপ্তরে কোনও দুর্নীতি হবে না। কোনও ডিলার কিংবা দপ্তরের কোনও অফিসার দুর্নীতিতে যুক্ত হলে তাঁকে সাসপেন্ড হতে হবে। দল আমাকে ভরসা করে গুরুত্বপূর্ণ এই দপ্তরের মন্ত্রী করেছে। দলের মর্যাদা আমি রাখব। মানুষের খাবারের সঙ্গে কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করব না।’ তিনি জানান, ‘আমার আগে এই দপ্তরে যারা মন্ত্রী ছিল তাদের সব নথি বের করব। দুর্নীতি নজরে এলে কষ্ট আছে, জেলে যেতে হবে।’

২০২১ সালে প্রথম বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন অশোক কীর্তনিয়া। জয়ী হয়ে পদ্মের বিধায়ক হন তিনি। এ বারেও মতুয়াগড়ে দল তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছিলেন। পর পর দু’বার একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। এ বার তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাসকে প্রায় ৩৯ হাজার ৮৩৯ ভোটে পরাজিত করেন তিনি। একই কেন্দ্র থেকে টানা দু’বার বিধায়ক হতেই বিজেপির প্রথম মন্ত্রিসভায় খাদ্য দপ্তরের মন্ত্রী হলেন অশোক কীর্তনিয়া।

মনে করা হচ্ছে, একদিকে মতুয়া মন জয় করা, অন্যদিকে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজকে আরও দ্রুত করার লক্ষ্যেই বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ককে মন্ত্রী করেছে দল। তৃণমূলের সময়ে খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর সময়ে খাদ্য দপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তার তদন্তভার যায় ইডির হাতে। দুর্নীতির দায়ে গ্রেপ্তার হন জ্যোতিপ্রিয়। পরবর্তীতে অবশ্য তাঁর জেলমুক্তি হয়েছে। এর পর তৃণমূল সরকারের খাদ্যমন্ত্রী হন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ। এ বার খাদ্যমন্ত্রী হলেন বনগাঁর উত্তরের বিধায়ক অশোক।

দায়িত্ব পাওয়ার পরেই অশোক কীর্তনিয়া নবান্নে বসেই খাদ্য দপ্তরের কাজকর্ম বুঝে নিয়েছেন। দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে কথাও বলেছেন তিনি। অশোক খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার খবর পেয়েই খুশির হাওয়া বনগাঁর রামনগর রোডের বাড়িতে। টিভির পর্দায় ছেলের খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার খবর শুনে আনন্দে ভেসে গিয়েছেন তাঁর বৃদ্ধা মা অহল্যা কীর্তনিয়া এবং স্ত্রী মৌমিতা। অহল্যা বলেন, ‘আজ আমার খুব আনন্দের দিন।ও যেন সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য কাজ করে।’

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.