Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ফের দু’‌জন করোনা সংক্রমণে মৃত্যু বঙ্গে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

deshersamay

Share article:

করোনার জেরে বন্ধ কুমোরটুলি, বাতিল হয়েছে প্রচুর প্রতিমা তৈরীর কাজ,ছবি-কুন্তল চক্রবর্তী৷

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ ফের আরও ২ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু রাজ্যে। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হল। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭। গতকাল সন্ধ্যে নাগাদ দু’‌জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬২ বছরের এক প্রৌঢ়ের করোনায় মৃত্যু হয়েছে।

আর হাওড়ার গোলাবাড়ি আইএলএস হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এক ৫৭ বছরের এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। করোনা পজিটিভ, রিপোর্ট আসে রাতে। এনআরএসে যাঁর মৃত্যু হয়েছে তাঁর বাড়ি উল্টোডাঙায়। তাঁর বিদেশ ভ্রমণের কোনও যোগসূত্রে এখনও পাওয়া যায়নি বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। সোমবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। গতকাল রাত ৯টায় নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে এসএসকেএম থেকে। তার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।
গোলাবাড়ির আইএলএস হাসপাতালে যে প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে, তাঁর বাড়ি হাওড়ার মল্লিকফটকে। সোমবার তিনিও প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল সন্ধেয় মৃত্যু হয়। নাইসেড থেকে রিপোর্ট আসে তার পরে। ওই প্রৌঢ়ের স্ত্রী, পুত্রবধূ, ভাই এবং ভাইপোকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি, রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭। শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন দুই ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। দু’‌জনের বয়স যথাক্রমে ৪৯ ও ৫০। এসএসকেএমে দু’জনের নমুনা পরীক্ষা হয়। আরজি কর হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন ৫৯ বছরের মহিলার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।

পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন নয়াবাদের বাসিন্দার সংস্পর্শে আসা এগরার এক ব্যক্তিরও নমুনা পজিটিভ। তিনি ভর্তি আছেন এগরার হাসপাতালে। নয়াবাদের ওই বাসিন্দা এগরার এক বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পরে করোনা আক্রান্ত হন। কম্যান্ড হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত চিকিত্‍সকের পরিবারের তিন সদস্যের নমুনা পরীক্ষাও পজিটিভ এসেছে। ওই তিনজনই ভর্তি রয়েছেন কম্যান্ড হাসপাতালে। পরিবারের সাত জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য নাইসেডে পাঠানো হয়েছিল।
দমদমের নাগেরবাজারে আইএলএস হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন ইতালির মিলান ফেরত এক প্রৌঢ়ার রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। প্রৌঢ়ার নমুনা পরীক্ষা হয় এসএসকেএম–এ। তিনি গত ২০ ফেব্রুয়ারি মিলান থেকে ফিরেছিলেন। একমাস কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল না বলে প্রৌঢ়ার দাবি। ২৩ মার্চ আচমকা জ্বর হয়। দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। গতকাল রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই প্রৌঢ়ার স্বামীও হাসপাতালে ভর্তি। আজ তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার কথা।
মুম্বইয়ে সোনার কাজে যুক্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের এক যুবকের করোনা ধরা পড়েছে। সল্টলেকের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ৫১ বছরের এক ব্যক্তির সালকিয়ায় ব্যবসা রয়েছে। করোনা-আক্রান্ত ওই ব্যক্তির ছেলে, গাড়িচালক, সর্বক্ষণের পরিচারককে কোয়রান্টিন বা নিভৃতবাসে পাঠানো হয়েছে। স্ত্রী-মেয়ে রয়েছেন গৃহ-পর্যবেক্ষণে। টালিগঞ্জের বাসিন্দা, অন্য এক আক্রান্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। কাজের সূত্রেই কলকাতা ঘুরে বেড়াতেন তিনি।
মৃত ও সংক্রমিতের এই পরিসংখ্যানে স্বাস্থ্য দফতর উদ্বিগ্ন।

এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, ‘‘পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এক জায়গা থেকে অন্যত্র ঘুরে বেড়ানোটা ফ্যাক্টর হয়ে যাচ্ছে। কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা।’’

”এক নজরে দেখে নেওয়া যাক করোনা মোকাবিলায় কোথায় কিভাবে কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা”::-

বনগাঁপুরসভার উদ্যোগে জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন দমকলকর্মীরা।

বনগাঁ পুরসভার পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য সঙ্গে ছয়ঘরিয়া পঞ্চায়েত প্রধান প্রসেনজিৎ ঘোষবিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ সাধারণ গরীব মানুষের হাতে নগদ অর্থ সহ চাল, ডাল,তুলে দিচ্ছেন৷

বঙ্গীয় স্বর্ণশিল্পী সমিতির সদস্যরাও পথে নেমে গরীব এবং শ্রমিকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন খাদ্য খাবার ৷

বারাসাত জেলা পুলিশ কর্মীরা পথের শার মেয়দেরকে নিয়মিত খাবার দিচ্ছেন৷

বারাসাত সমন্বয় ক্লাব সদস্যরা ত্রান বিলি করে চলেছেন নিয়মিত৷

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মেন্টর গোপাল শেঠ এবং পেট্রাপোল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কার্তিক অধিকারীর উপস্থিতিতে জয়ন্তীপুর ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকে অসহায় দুঃস্থ মানুষের মধ‍্যে নিত‍্য প্রয়জনীয় খাদ‍্য সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন । ছবি- দিব্যেন্দু পোদ্দার৷

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.