প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও দফায় দফায় বৃষ্টি চলছে কলকাতা- সহ দক্ষিণবঙ্গের একাংশে, জানুন আবহাওয়ার আপডেট বনগাঁয় শিরিস গাছের ডাল ভেঙে প্রাণ হারান যুবকের পরিবারকে  ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য খাদ্যমন্ত্রীর ,কথা দিলেন ৭ দিনের মধ্যে যশোর রোডের মৃত গাছের ডাল কাটার কাজ শুরু হবে:দেখুন ভিডিও

খুলতে পারে দোকান,তবে শর্ত মেনে,বন্ধ থাকবে শপিং মল, নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ দেশজুড়ে লকডাউনের ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান ছাড়া বাকি সব বন্ধ। ফলে ধাক্কা খাচ্ছে অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে দোকান খোলার অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে শপিং মল বন্ধ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

শুক্রবার গভীর রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, গ্লাভস, মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব মেনে রেসিডেন্সিয়াল এলাকা ও বাজার এলাকায় দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট অ্যাক্টের আওতায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শপিং মল ও কোভিড ১৯ হটস্পট এলাকায় দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “যেসব দোকান শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট অ্যাক্টের আওতায় রেজিস্টারড, তারা যদি রেসিডেন্সিয়াল এলাকা ও বাজার এলাকায় হয়, তাহলে দোকান খোলা যাবে। কিন্তু শপিং মল বন্ধ থাকবে। ফলে সেখানে থাকা কোনও দোকান খোলা যাবে না। তবে দোকানে কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ কাজ করতে পারবে। তাঁদের মাস্ক পরে থাকতে হবে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।”

এর আগেও ধীরে ধীরে একাধিক অর্থনৈতিক কাজে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। কৃষির সঙ্গে যুক্ত একাধিক কারখানা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বেকারি, বইয়ের দোকান, ফ্যানের দোকান প্রভৃতিকে ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে। এভাবে আসতে আসতে দেশের অর্থনীতিকে চালু করার চেষ্টা করছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

৩ মে-র পরে কী হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শিগগির সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই বিভিন্ন রাজ্যের অবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে। বর্তমানে যা খবর, তাতে লকডাউন আর বাড়াতে চায় না কেন্দ্র। তবে সব জায়গায় একেবারে লকডাউন উঠবে না। যেখানে সংক্রমণ একেবারেই কম, সেখানে আগে শিথিল হবে লকডাউন। কিন্তু হটস্পট এলাকাগুলিতে এখনও বিধিনিষেধ থাকবে বলেই খবর।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন