Saturday, June 06, 2026 | e-Paper
Desher Samay
HomeARTBANGLADESHBENGALIBUSINESSDISTRICTE PAPEREDITOR'S CHOICEEDITORIALENGLISHENTERTAINMENTFASHION TIMEFeaturedFEATURESHEALTH IS WEALTHINDIAINDIAKOLKATALIVEMAGAZINENEWSOPINIONPHOTO GALLERYPSN Photography CONTESTSPORTSTRAVELOGUEUTTARBANGA উত্তরবঙ্গViral VideoWEST BENGALWORLDYOUTUBE

‘হাওড়া স্টেশনে অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে কোর্টে না পাঠিয়ে খাইয়ে-দাইয়ে সোজা বনগাঁ দিয়ে বিএসএফ-এর হাতে!’কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

deshersamay

Share article:

Breaking: হাওড়ার জেলাশাসকের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক ও প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবারই অনুপ্রবেশকারীদের ‘ডিপোর্ট’ করার ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন তিনি। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকের পরে শুভেন্দু বলেন, ‘গতকাল থেকে অনুপ্রবেশকারীদের কোর্টে না পাঠিয়ে বাংলাদেশ বর্ডারে বিএসএফের কাছে পাঠানোর যে আইন— তা কার্যকর হয়েছে।

পুলিশ কমিশনার ও আরপিএফকে সরাসরি বলে দেওয়া হয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে CAA-এর আওতায় পড়েন না, এমন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাঁকে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভালো করে খাওয়া-দাওয়া করিয়ে সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে বা বসিরহাট সীমান্তে BOP-র হাতে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করতে হবে।’ প্রতি সপ্তাহে কতজন এমন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ল সেই হিসেব CMO অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে জানাতে হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

কমিশনারকে দেওয়া মুখ্যমন্ত্রীর কড়া দাওয়াই
হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারকে এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই ওয়ান-লাইন নির্দেশিকা জারি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। হাওড়া স্টেশনকে অনুপ্রবেশকারীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে নিজের চেনা মেজাজে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি স্পষ্ট ভাষায় কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছি, এবার থেকে হাওড়া স্টেশনে কোনও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে আর আদালতে পেশ করার দরকার নেই। খাইয়ে-দাইয়ে সোজা বনগাঁ দিয়ে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত বুধবারই কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি ‘পুশব্যাক’ আইন কার্যকর করার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, পুলিশ ধৃত অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে সঁপে দেবে এবং বিএসএফ আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (BGB) সঙ্গে কথা বলে তাঁদের স্বদেশে ফেরত পাঠাবে।

সিএএ-র সুরক্ষাকবচ: মতুয়া ও উদ্বাস্তুদের আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী
নবান্নের এই আকস্মিক ও কড়া আইনের জেরে স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে এ দেশে চলে আসা মতুয়া জনগোষ্ঠী এবং অনগ্রসর শরণার্থী হিন্দুদের মনে নতুন করে এক গভীর শঙ্কা ও আতঙ্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে। তবে এই বিভ্রান্তি দূর করতে এ দিন দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি স্পষ্ট জানান, সিএএ (CAA)-র আওতায় থাকা হিন্দু ধর্মাবলম্বী কিংবা প্রতিবেশী তিন রাষ্ট্র (বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান) থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তাঁরা নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া মেনেই ভারতের স্থায়ী নাগরিকত্ব পাবেন।

কারা বৈধ, কারা অবৈধ? স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু
অনুপ্রবেশকারী ও প্রকৃত শরণার্থীদের মধ্যকার ফারাক স্পষ্ট করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘সিএএ-র অন্তর্ভুক্ত ৭টি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ, যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারত তথা বাংলায় চলে এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনও ভাবেই হেনস্থা বা আটক করতে পারবে না। তাঁরা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। কিন্তু যাঁরা সিএএ-র এই আওতার মধ্যে পড়েন না, তাঁরা পুরোপুরি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। তাঁদের পুলিশ আটক করলেই সোজা বিএসএফের হাতে দেবে এবং বিএসএফ আইন অনুযায়ী বিজিবির সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সীমান্ত পার করে দেবে।’’
 

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Home Search Gallery
Menu
© 2026 Desher Samay.