Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
যশোর রোডে বিপজ্জনক মরা ডাল কাটার কাজ শুরু হতে চলেছে জানালেন খাদ্যমন্ত্রী, খুশি বনগাঁর বাসিন্দারা : দেখুন ভিডিও World Cup 2026: নকআউটে নেদারল্যান্ডস, গ্রুপে তৃতীয় হয়েও আগামীতে উঠতে পারে কোন কোন টিম? বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী!

‘দলে কোনও ঋতব্রত-পরমব্রতদের জায়গা নেই’, দলবদল নিয়ে বললেন শমীক

deshersamay

Share article:

রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর যখন রাজনৈতিক ও বিনোদন জগতের চেনা সমীকরণগুলো ওলটপালট হতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই দুই ‘ব্রত’-র ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া যাবতীয় জল্পনা এক ঝটকায় উড়িয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ।

দিল্লির পুরনো বঙ্গভবনে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (স আকস্মিক সাক্ষাৎ এবং অন্যদিকে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওয় অভিনেতা-পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ‘সুরবদল’— এই দুই ঘটনা নিয়েই শুক্রবার বিজেপির ‘ব্রতকথা’ শুনিয়ে দিলেন শমীক। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, “বিজেপিতে কোনও ঋতব্রত, পরমব্রত কিংবা চিত্তব্রতদের জায়গা নেই।”

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার দিল্লি সফরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে  বৈঠকের ফাঁকেই দিল্লির পুরনো বঙ্গভবনে তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রতের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে দেখা যায়, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে তৃণমূল বিধায়কের কাঁধে হাত দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনার দুষ্মন্ত নারিওয়ালাও। যদিও ঋতব্রতের দাবি, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ আকস্মিক ও নেহাতই সৌজন্যমূলক। কিন্তু বাংলার রাজনৈতিক মহল এই সৌজন্য দেখে দুইয়ে দুইয়ে চার করতে ছাড়েনি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে যাওয়ার পর, ঋতব্রতও ক্ষমতার বৃত্তে টিকে থাকতে বিজেপির হাত ধরতে চাইছেন কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

ঠিক একই রকম ‘সুরবদল’ লক্ষ্য করা গিয়েছে টলিউড তথা গ্ল্যামার জগতেও। রাজনৈতিক পালাবদলের পর স্টুডিও পাড়ার ভেতরের সমীকরণ যে দ্রুত বদলাচ্ছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওয়। অভিনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের ডাকে আয়োজিত একটি বৈঠকে সম্প্রতি উপস্থিত হয়েছিলেন টলিপাড়ার পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা ও বিভিন্ন টেকনিশিয়ান গিল্ডের প্রতিনিধিরা। সেখানেই অতীতের যন্ত্রণাদায়ক অধ্যায় নিয়ে মুখ খোলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ।

কয়েক মাস আগেও ফেডারেশনের সঙ্গে সংঘাতের জেরে যাঁর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই পরমব্রত আবেগঘন গলায় জানান, সেই সিদ্ধান্ত মোটেও সহজ ছিল না। বলেন, “সেদিন আমার সদ্যজাত সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে, দাঁতে দাঁত চেপে ক্ষমা চেয়েছিলাম। আর কোনও উপায় ছিল না তাই।” ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে না এলেও ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীদের আপন ভেবেই নিজের সেই গভীর অপমানবোধের কথা ভাগ করে নেন তিনি। এর পর থেকেই চলচ্চিত্র মহলে গুঞ্জন, একদা বিদায়ী শাসকদলের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা পরমব্রতও এবার সময়ের নিয়মে নিজেকে বদলাতে চাইছেন।

তবে এই দুই ‘ব্রত’-র রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনায় জল ঢেলে শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানান, বিজেপির ব্রত একটাই, সেখানে কোনও ঋতব্রত বা পরমব্রতদের স্থান হবে না। শুধু দলবদলই নয়, কলকাতা পুরসভার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিদায়ী শাসকদলকে নিশানা করেছেন তিনি। শমীকের দাবি, পুরসভায় যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে তার নেপথ্যে রয়েছে খোদ তৃণমূলই। তালা তৃণমূলের লোকেরাই লাগিয়েছে, বিজেপির এসব করার কোনও প্রয়োজন পড়ে না।

একই সঙ্গে রাজ্য বিধানসভার অন্দরে তৃণমূলের ঘর-বিতর্ক ও বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়েও এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের নিজস্ব বিধায়করাই নাকি প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিজেপি নেতৃত্বকে ফোন করছেন। সব মিলিয়ে, নির্বাচন-উত্তর আবহে একদিকে দলবদলের চোরাস্রোত আর অন্যদিকে বিজেপির কড়া অবস্থান, এ যেন উপভোগ্য চিত্রনাট্য।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.