

বাগদা : তীব্র গরমেও ভোট প্রচারে খামতি নেই বাগদার তৃণমূলের তরুণ তুর্কি মধুপর্ণা ঠাকুরের।মধুপর্ণাবিধায়ক-অভিজ্ঞতা মাত্র দেড় বছরের। মঙ্গলবার বিকালে হেলেঞ্চায় প্রচারে বেরিয়ে বাগদা পঞ্চায়েত এলাকার মহিলাদের নিয়ে বৈঠক করেন মধুপর্ণা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহিলাদের ভাতা নিয়ে যে আশ্বাস দিচ্ছেন, সেই আশ্বাসে মহিলারা যাতে বিভ্রান্ত না হন, সে নিয়ে সতর্ক করেছেন।

ঠাকুরবাড়ির সদস্য, বড়মা বীণাপাণি ঠাকুরের নাতনি মধুপর্ণার সঙ্গে মতুয়াদের আত্মিক যোগ রয়েছে। শুধু পারিবারিক পরিচয়ের উপরে নির্ভর না করে, মাটিতে নেমে সেই সম্পর্ককে আরও পোক্ত করছেন। মঙ্গলবার হেলেঞ্চায় প্রচার সারেন তিনি। ভোটারদের বারান্দায় পিঁড়ি পেতে বসে ঘরের মেয়ের মতো মিশছেন। তাঁর জেঠতুতো দাদা শান্তনু ঠাকুর বনগাঁর বিজেপির সাংসদ। মধুপর্ণার স্পষ্ট বক্তব্য, ‘বিজেপির সাংসদ বাগদার উন্নয়ন করেননি। দেড় বছরে আমি যতটা পেরেছি করেছি।’ দেখুন ভিডিও

এ বার বাগদায় বিজেপির প্রার্থী শান্তনুর স্ত্রী সোমা ঠাকুর। বাগদা বিধানসভা গত নির্বাচনে বিজেপির দখলে ছিল। এই কেন্দ্রে মতুয়া ভোটারদের বড় অংশ রয়েছে। ফলে নাগরিকত্ব, পরিচয় এবং ভোটার তালিকা এখানে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ‘সার’-এ মতুয়াদের বহু নাম বাদ পড়ার অভিযোগ ঘিরে ক্ষোভ জমেছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর সেই ক্ষোভকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার করেছেন। বাগদার বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুরের কথায়, ‘রাজ্য সরকারের কর্মচারী ও বিএলওরা চক্রান্ত করে মতুয়াদের নাম বাদ দিয়েছেন।’

বিজেপিকে নিশানা করে মধুপর্ণার আক্রমণ, ‘যাঁদের নাম বিজেপি বাদ দিয়েছে, তৃণমূল আবার নাম তুলে দেবে।’ মতুয়া অধ্যুষিত বাগদায় ‘ঘরের মেয়ে’ হিসেবেই নিজেকে তুলে ধরছেন তিনি।





