শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ৬টি বড় সিদ্ধান্ত:


সোমবার নতুন সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ৬টি বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এ দিন মিটিংয়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকি মন্ত্রীদের নিয়ে কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা ঘোষণা করেছেন।

বাংলার জনগণ তথা ৯৩ শতাংশ ভোটাপ্রদানকারীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশন, তাদের অধীনে থাকা ভোটকর্মী, বাইরের রাজ্য থেকে আসা অবজ়ার্ভার, কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের পুলিশ, সংবাদমাধ্যম, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? এক নজরে
বিজেপির ৩২১ জন যাঁরা খুন হয়েছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ। তাঁদের পরিবারের প্রতি এই সরকার দায়বদ্ধ। হত্যার বিচার দেওয়া হবে। তার সঙ্গে এই পরিবারের সব দায়-দায়িত্ব এখন থেকে সরকারের।

দেশের ও পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার প্রশ্ন মাথায় রাখা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অনুমোদন দেওয়া হলো। আজ থেকেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর সম্পূর্ণ করতে হবে।
আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এর জন্য প্রয়োজনীয় এগ্রিমেন্ট সংক্রান্ত কাজ অতিদ্রুত সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনা, উজালা যোজনা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, বিশ্বকর্মা যোজনা-সহ অন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো

এতদিন পর্যন্ত রাজ্যের IAS, IPS ও WBCS-এর কেউ কেন্দ্রীয় ট্রেনিংয়ে যুক্ত হওয়ার অনুমোদন পেতেন না। এখন থেকে অন্য রাজ্যের মতো সেই নিয়ম চালু হবে।
রাজ্যে BNS কার্যকর করা হয়নি। এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা মেনে কাজ শুরু হলো।

২০১৫ থেকে কোনও রিক্রুটমেন্ট হয়নি। তাই প্রস্তাব মতোই এখন থেকে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়া হলো।
পরবর্তী ক্যাবিনেট মিটিং পরের সোমবার করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরের বৈঠকেই ডিএ ও বেতন কমিশন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন নবান্নে গার্ড অফ অনার দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানানো হল। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে বরণ করে নেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ-সহ পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরাও।



