প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•সপ্তমীতে সুর চড়িয়ে নাম না করে খাদ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনুর •চোরবাগানের পর আপাতত বন্ধ হয়ে গেল শহরের একের পর এক বড় পুজোর দরজা ,আহতদের দেখতে হাসপাতালে শাহ •চোরবাগানে বিপর্যয়:পুজো কমিটির সম্পাদক সহ গ্রেফতার ৭! ব্যারিকেড নির্মাণ থেকে VIP পাস বিলিতে গাফিলতির অভিযোগ •সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে ১৯ জনের মৃত্যু!  মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, হাইকোর্টের বিচারপতির তত্ত্বাবধানে তদন্ত, ঘোষণা শুভেন্দুর •১০০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে ভারতকে স্বস্তি দিলেন ট্রাম্প ! নিজের আইন নিজেই তুলে নিয়ে আপাতত পিছু হটলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

সপ্তমীতে সুর চড়িয়ে নাম না করে খাদ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনুর

deshersamay

Share article:

সপ্তমীর দুপুরে পেট্রাপোল সীমান্তে পুজোর উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে নাম না করে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়াকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শান্তনুর কথায়, ‘অনৈতিক ভাবে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে এসে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সমস্যা তৈরি করলে আমরা প্রতিহত করব।’ অনেকেই মনে করছেন, এ কথা বলে ঘুরিয়ে খাদ্যমন্ত্রীকেই নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী।

বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে বিবাদ চলছে। এতদিন বনগাঁ–সহ মতুয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন শান্তনু। পালাবদলের পরে অশোক কীর্তনিয়া খাদ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসতেই সেই রাজনৈতিক সমীকরণ কিছুটা বদলেছে।

মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে দলের ভিতরে ও বাইরে অশোক কীর্তনিয়ার প্রভাব আগের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। তাতে শান্তনু ও অশোকের বিবাদ আরও বেড়েছে। বনগাঁ শহরে কোনও রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে একমঞ্চে দুই নেতাকে শেষ কবে দেখা গিয়েছে, মনে করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা। উল্টে তাঁরা একে অপরকে তোপ দেগে চলেছেন।

শনিবার ছিল সপ্তমী। এ দিন পেট্রাপোল সীমান্তে পুজোর নতুন পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন শান্তনু। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘এখানে বেশ কিছু অনৈতিক কাজকর্মের কথা আমি জেনেছি। অনৈতিক ভাবে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে এসে কেউ যদি নিজের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সমস্যা তৈরি করেন, সেটা আমরা প্রতিহত করব। এটা আমরা কোনও ভাবেই মানব না। এখানে ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ লিগ্যাল অথরিটি সঠিক ভাবে কাজ করবে।’ পেট্রাপোল সীমান্তের আনলোডিং শ্রমিক সংগঠনের কর্মীদের তিনি বলেন, ‘বাইরের কোনও নেতৃত্ব এখানে আসলে, আপনারা কেউ তাঁকে জায়গা দেবেন না। কোনও ভাবেই তাঁকে উৎসাহিত করবেন না।’ এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন