প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

Rath Yatra: বৃক্ষ বিতরণ করে রথযাত্রার সূচনা হল নদীয়ার বীরনগর জয়পুর গ্রামে

deshersamay

Share article:

অরিত্র ঘোষ দস্তিদার ২০ই জুন,রানাঘাট: ‘রথযাত্রা লোকারণ্য মহা ধুমধাম, ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম’।


মঙ্গলবার পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার পাশাপাশি সারাদেশ জুড়ে মহা ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘ইস্কন’-এর আয়োজনে রথযাত্রা উৎসব পালিত হচ্ছে।সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে মঙ্গলবার নদীয়ার বীরনগরের জয়পুর গ্রামে ‘রথযাত্রা উৎসব’-এর আয়োজন করেছিল ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’। আজ জয়পুর গ্রামের ‘খামারিয়া কালীমন্দির’ থেকে রথযাত্রা শুরু হয়।

এদিন সকাল থেকেই জগন্নাথ দেবের পূজার্চনা শুরু হয়।নিষ্ঠা সহকারে সমস্ত পূজার্চনা সম্পন্ন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মাধবানন্দ দাস মহারাজ। তিনি রথযাত্রার গুরুত্ব গ্রামবাসীদের সামনে ব্যাখ্যা করেন।

এদিন পূজার্চনার পর ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’-এর পক্ষ থেকে গাছ বিতরণ করা হয় গ্রামবাসীদের মধ্যে। ১০০ টি হিমসাগর, ৫০ টি আম্রপালি ও ১০ টি লেবুর চারা মিলিয়ে মোট ১৬০ টি গাছ বিতরণ করা হয়। প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে, এই বার্তা গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্য জানান ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’-এর সদস্য শ্রী মিলন খামারিয়া।

গাছ পেয়ে গ্রামবাসীরা ভীষণ খুশী হন। গ্রামবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায় এই রথযাত্রায়। তারা রথের দড়ি টেনে নিয়ে যান আনন্দের সাথে।

কল্যাণ মন্দিরের অন্যতম আয়োজক মিলন খামারিয়া বলেন, “রথযাত্রা মানেই জীবনের পথে পূর্ণতার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া। এটি একটি সৎ-পথ পরিক্রমা। অধর্মকে পরাজিত করে ধর্মের পথে চলা। নীতিবান এবং পুণ্যবান মানুষেরাই রথযাত্রায় সামিল হন।”

এদিন হরিনাম সংকীর্তন করে গ্রামবাসীরা রথকে টেনে নিয়ে যান পাশের গ্রামে। নতুনপাড়া গ্রামের কালীমন্দিরে রাখা হয় প্রভু শ্রী জগন্নাথ দেবের রথকে।

এরপর গ্রামবাসীরা সবাই খিচুড়ি প্রসাদ নিষ্ঠাভরে গ্রহণ করেন। মহা ধুমধামের সঙ্গে রথযাত্রা শুরু হল দেশের মাটি কল্যাণ মন্দিরের তরফে।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন