প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

Rain :বনগাঁয় শিলাবৃষ্টি! তুমুল ঝোড়ো হাওয়া,বিকেলেই ‘সন্ধ্যা’ ঘনাল সীমান্ত শহরে, দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

দেশের সময়: অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি নামল কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় ৷ বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিলই। সেই মতোই দুপুর তিনটে নাগাদ ঝেঁপে বৃষ্টি নামল বনগাঁয় (Bongaon)৷ গত দু’দিনে যেভাবে গরম (summer) বাড়ছিল কলকাতা সহ জেলাতেও তা নিমেষে উধাও! শুধু বৃষ্টি নয়, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বয়েছে বনগাঁয়। হয়েছে শিলাবৃষ্টিও।কিন্তু বৃষ্টি হবে হবে করেও হচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার বিকেলে অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মিলল।

বাস থেকে নেমেই ঝড়ের কবলে স্কুলের ক্ষুদে পড়ুয়া, ভয় পেওনা ‘মা’ আমি আছি .. বলতে বলতে ছাতা আগলে বাড়ির দিকে ছুট৷ বৃহস্পতিবার দুপুরে বনগাঁ মিলিটারি রোডে তোলা ছবি- পার্থ সারথি নন্দী৷ দেখুন ভিডিও

সপ্তাহের শুরুতে দু’দিন বৃষ্টির পরই ফের গরম বেড়েছিল দক্ষিণবঙ্গে। তবে বৃহস্পতিবার সকালেই হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয় খুব শিগগিরই বৃষ্টি নামবে। এরপরই বেলা এগারোটা নাগাদ ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় বিভিন্ন জেলার আকাশ। এর কিছুক্ষণ পরই বোলপুর, সিউড়ি- বনগাঁ সহ একাধিক জায়গায় শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। সঙ্গে বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়াও।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ নতুন বুলেটিন প্রকাশ করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তাতে বলা হয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কিছু কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বিকেল গড়াতে না গড়াতেই দেখা গেল পূর্বাভাস মিলেছে। চার দিক অন্ধকার করে বৃষ্টি নেমেছে কলকাতায়। অন্য জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে।

এই বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেও মাথায় হাত চাষিদের। তাঁরা বলছেন, বহুদিন পর এমন ভয়ঙ্কর শিলাবৃষ্টি হল। এক একটা শিলার আকার দেখলে আঁতকে উঠবেন যে কেউ। কিন্তু এরফলে ধান, পাট চাষে বড় ক্ষতি হবে। এমনটাই আশঙ্কা সবার। এর পাশাপাশি আমেরও ভাল ক্ষতি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন আমচাষিরা।

ক্রমেই বাড়ছিল অস্বস্তি। এর মধ্যেই রাজ্যে আবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তর এবং দক্ষিণের প্রায় সব জেলাতেই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ১ মে, সোমবার পর্যন্ত চলতে পারে এই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হবে না।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব বাংলাদেশের উপর ঘূর্ণাবর্ত এবং মহারাষ্ট্র থেকে তামিলনাড়ু পর্যন্ত থাকা নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাবে রাজ্যে বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে সব জায়গায় বৃষ্টি হবে না বলেই মনে করছে হাওয়া অফিস। বিক্ষিপ্ত ভাবে হতে পারে বৃষ্টি। সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূম, দুই মেদিনীপুর, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে দক্ষিণের বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আগামী শনি, রবি, সোমবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের ৮ জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শুক্রবার উত্তরের কোনও জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে বৃষ্টি হতে পারে। তবে বাকি ৫ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। রবি এবং সোমবার উত্তরের ৮ জেলাতেই হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। তবে জেলার সব জায়গায় একসঙ্গে হবে না। বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

বজ্রপাত নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। বজ্রপাতের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহবিদেরা।

চৈত্রের শেষ দিক থেকে গ্রীষ্মের যে দাপট শুরু হয়েছিল, গত কয়েক দিনে তার তেজ খানিকটা কমেছে। তাপপ্রবাহ থেকেও আপাতত মুক্তি মিলেছে। তবে বৃষ্টির স্বস্তি অধরাই ছিল কলকাতাবাসীর। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই আশা মিটল।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন