প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

নিজের টাকায় হাবড়া গার্লস স্কুলের জন্য ফ্যান কিনে দিলেন বিধায়ক দেবদাস

deshersamay

Share article:

‘আঙ্কেল, মিড–ডে মিলের ঘরে পাখা না থাকায় গরমের সময় খাবার খেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়।’ স্কুলের খুদে ছাত্রীদের মুখ থেকে এ কথা শুনে বেজায় বিড়ম্বনায় পড়ে যান হাবরার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। পড়ুয়াদের কষ্টের কথা শুনে বিধায়ক আর সময় নষ্ট করেননি। নিজের বেতনের টাকা দিয়ে আধঘণ্টার মধ্যেই পাঁচটি সিলিং ফ্যান কিনে দলীয় কর্মীদের দিয়ে স্কুলে পৌঁছে দেন। তারই সুবাদে স্কুল ছুটির আগেই মিড–ডে মিলের ঘরে বনবন করে ঘুরতে শুরু করল সিলিং ফ্যান। এর জন্য বিজেপি বিধায়ককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন হাবরা গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সাধারণ পড়ুয়ারা।

পড়াশোনার ব্যাপারে হাবরা গার্লস হাইস্কুলের বেশ সুনাম রয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে স্কুলে
মিড–ডে মিলের ঘর তৈরি হয়।

এরপরে কেটে গিয়েছে ১৩টা বছর। কিন্তু সেই ঘরে এতদিন কোনও কোন সিলিং ফ্যান ছিল না। ফলে খেতে বসে গলদঘর্ম হতে হতো ছাত্রীদের। সেই সমস্যার নিরসন হওয়ায় বেজায় খুশি পড়ুয়ারা। এ দিন হাবরা গার্লস হাইস্কুলে খাদ্যমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল হাবরার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডলকে। অনুষ্ঠানের পরে তিনি পুরো স্কুলটি ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এবং হাবরার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি দেবজ্যোতি দাম। পরিদর্শন চলাকালীন হঠাৎ কয়েক জন ছাত্রী গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসেন বিধায়কের কাছে।

বিধায়ককে সামনে পেয়ে খুদে পড়ুয়ারা অনুরোধের সুরে জানায়, আঙ্কেল গরমের মধ্যে মিড–ডে মিলের খাবার খেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়।’ সেটা শুনেই নিজের পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে দেবজ্যোতির হাতে টাকা তুলে দিয়ে তাঁকে দোকান থেকে সিলিং ফ্যান কিনে আনতে বলেন বিধায়ক। আধঘণ্টার মধ্যেই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রত্না সুর বিশ্বাসের কাছে পাঁচটি সিলিং ফ্যান পৌঁছে যায়। স্কুল ছুটির আগেই ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ডেকে মিড–ডে মিলের ঘরে ফ্যানগুলিকে লাগিয়ে দেওয়া হয়।

বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘ছোট ছোট বাচ্চাদের এই সামান্য অনুরোধ ফেরানোর প্রশ্নই ওঠে না। তাই নিজের বেতনের টাকা দিয়ে ফ্যান কিনে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছি। সত্যিই তো, এই গরমে বাচ্চাদের মিড–ডে মিল খেতে অসুবিধা হওয়ারই কথা। ওরা সঠিক অনুরোধ করেছে।’ দেবজ্যোতি বলেন, ‘আমাদের বিধায়ক মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। যে কাজটা অনেক দিন আগেই হওয়া উচিত ছিল, ওনার জন্য আজ সেটা সম্ভব হলো।’ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রত্না সুর বিশ্বাস বলেন, ‘ছাত্রীদের অনুরোধ শুনে বিধায়ক চটজলদি সিলিং ফ্যানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এর জন্য আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন