‘কোমর বেঁধে দেশের মানুষের সেবা করতে চাই’, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বার্তা কোয়েলের
deshersamay

মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে বিজেপিতে যোগদান করলেন কোয়েল মল্লিক। রাজ্যসভার সাংসদ পদের জন্য মনোনয়ন জমা দেবেন সোমবার। তার আগে বিজেপিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করলেন তিনি।

রথের দিন সকালে তৃণমূলের হয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছিল সেই মুহূর্তেই। এনিয়ে স্পিকটি নট থাকলেও রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, খুব শীঘ্রই পদ্ম শিবিরের হাত ধরতে চলেছেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার দুপুরে রাজ্যসভায় তাঁর ছেড়ে যাওয়া সিটে তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। সোমে মনোনয়নের আগে পাকাপাকিভাবে যোগ দিলেন বিজেপিতে।

এদিন সকালে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা শশী অগ্নিহোত্রীর হাত থেকে পতাকা তুলে নেন কোয়েল। ওঠে বন্দে মাতরম স্লোগান,গলা মেলাল তিনিও। আজই রাজ্যসভায় মনোনয়ন পেশ করবেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কোয়েল এদিন জানান, তিনি রাজ্যে পালাবদলের পর উন্নয়নের ঝড় দেখে আপ্লুত। উন্নয়নের শরিক হওয়ার চেষ্টাতেই গেরুয়া শিবিরে আসা। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁদের দেখানো পথে মানুষের সেবা করার বার্তা দেন। অভিনয় জীবনের টুকরো কথা শেয়ার করে, ছোটবেলার স্মৃতি মেখে কীভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে চান, সে কথা অকপটে জানান কোয়েল। যা এতদিন চেয়েও বলতে পারেননি, যা করতে চেয়েও পারেননি, সেসব করার প্রতিশ্রুতি দেন।

কোয়েল বলেন, ‘আমি সম্মানিত, বড় দায়িত্ব পেলাম। মানুষের সেবা করা ধর্ম, সেটাই করব আনন্দের সঙ্গে। শেষ কয়েক মাসে যেভাবে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে বাংলায়, তা দেখে আপ্লুত। বাংলায় এটাই সবচেয়ে দরকার। বাড়িতে বাবাকে সবসময় বলতে শুনেছি, এটা কেন হচ্ছে ওটা কেন হচ্ছে না রাজ্যে। সাধারণ মানুষ হিসেবে যা চাই, কত কথা মনে পুষে রাখই, সেসব নিয়েই এবার কথা বলব। পেপার পড়ে ইস এটা হল না বলতে পারি সহজেই কিন্তু সেটা নিয়ে এই ময়দানে এসে কাজ করাই আসল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপার হাউসের সদস্য হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। দেশের মানুষের কল্যাণ এবং সেবা করার যে ধর্ম আমি সব সময়ে পালন করে থাকি, একটা প্ল্যাটফর্ম পেলে স্বাভাবিক ভাবে ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যায়। সেই সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত। নরেন্দ্র মোদী, শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাঁরাই আমাকে মনোনীত করেছেন।’
