প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

কালীপুজোর মণ্ডপ উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী ,আলোর উৎসবে মাতল চাঁদপাড়া ও মছলন্দপুর

deshersamay

Share article:
অর্পিতা বনিক

দেশের সময়: কালীপুজোর মণ্ডপ ও প্রতিমা উন্মোচনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার আলোর উৎসবে সরগরম হয়ে উঠল গাইঘাটার চাঁদপাড়া ও হাবড়ার মছলন্দপুর এলাকা। গাইঘাটার অভয় লায়ন্স ক্লাবের কালীপুজোর মণ্ডপ ও প্রতিমার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া, বিধায়ক স্বপন মজুমদার, অসীম সরকার, অনুপম বিশ্বাস-সহ বিজেপির জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক নেতৃত্ব। এরপর উত্তর ২৪পরগনার মছলন্দপুরে ত্রিমূর্তি ক্লাবের পুজোমন্ডপ ও প্রতিমার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী । সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর এবং গাইঘাটার বিধায়ক সুদ্রত ঠাকুর ।

এদিন গাইঘাটার চাঁদপাড়ায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের ধর্মীয় উৎসব পালনের ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এবং রাজ্যে রাষ্ট্রবাদী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। তাই ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা পুজোর আয়োজন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের আর আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাঁর দাবি, রাজ্যের কোনও প্রান্তেই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের ক্ষেত্রে কারও বিশ্বাস বা অধিকারে আঘাত করতে দেওয়া হবে না। দুর্গাপুজোয় রাজ্যের ৫৮ হাজার ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, আগামী দিনে জগদ্ধাত্রী পুজো, রাসমেলা, কার্তিক পুজো-সহ সমস্ত হিন্দু ধর্মীয় উৎসবের পাশেও থাকবে রাজ্য সরকার।

এদিনের বক্তব্যে মতুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়ন এবং নাগরিকত্বের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সিএএ-র মাধ্যমে প্রত্যেক আবেদনকারীর হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বারুনির মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ এবং হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজও এগোচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের একাধিক দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ, কোথাও যেন কাঁচা বা ভাঙাচোরা রাস্তা না থাকে, তা বিধায়কদের নজরে রাখতে হবে। কৃষকেরা যাতে তাঁদের উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত দাম পান, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কোনও বাসিন্দাকে যেন টিন বা টালির ঘরে থাকতে না হয়, প্রত্যেকের মাথার উপর পাকা ছাদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যও তুলে ধরেন তিনি।

বক্তব্যের শেষপর্বে কর্মসংস্থান, পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানো এবং মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ তৈরি করা, ভিনরাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনা এবং মা-বোনেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি দেশকে দুর্বল করতে চায়, এমন শক্তির বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার বার্তাও দেন তিনি।‌

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন