প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

জাতীয় মেলার স্বীকৃতি পাবে বারুনি, মতুয়াগড়ে কালীপুজো উদ্বোধনে বার্তা শুভেন্দুর: দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:
অর্পিতা বনিক

দেশের সময় :কয়েক দিন আগে ঠাকুরবাড়িতে গোঁসাই সম্মেলনে এসে আগামী দুই মাসের মধ্যে সিএএ আবেদনকারীদের সার্টিফিকেট দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন মূখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার চাঁদপাড়া এবং মছলন্দপুরের মতুয়া অধ্যুষিত এলাকার দু’টি কালীপুজো উদ্বোধন করতে এসে মতুয়াদের বারুনি মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে হরিচাঁদ, গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, চাঁদপাড়া হাসপাতালকে বড়মা বীণাপাণি ঠাকুরের নামে করার অঙ্গীকারও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুক্রবার বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের চাঁদপাড়ার অভয় লায়ন্স ক্লাবের কালীপুজোর মণ্ডপ উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে ছিলেন স্বপন মজুমদার এবং খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, ‘মতুয়াদের বারুনি মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা আমাদের অঙ্গীকার।’ প্রতি বছর বারুনি মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক লক্ষ মতুয়া ভক্তের সমাগম হয়। বাংলাদেশ থেকেও ভক্তরা এই মেলায় আসেন। এক সপ্তাহ ধরে ঠাকুরবাড়ি হয়ে ওঠে মতুয়াদের মিলনক্ষেত্র। দেখুন ভিডিও

বর্তমানে মেলা পরিচালনার দায়িত্বে আছে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। সংগঠনে এখন তিনটি ভাগ। এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও মতুয়া মহাসঙ্ঘের মধ্যে এই বিষয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ গাইন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন। আমরা তাঁকে স্বাগত জানাই। কিন্তু ঠাকুরবাড়ির সম্পত্তি দেবত্র সম্পতি। জাতীয় মেলা করতে গেলে সরকারকে হ্যান্ডওভার করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে এখনও কোন আলোচনা হয়নি।’

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর বলেন, ‘আমাকে কেউ কিছু জানায়নি।’ গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, ‘খুব ভালো সিদ্ধান্ত। তবে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব।’

গাইঘাটার চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালই স্থানীয়দের সরকারি চিকিৎসা পরিষেবার একমাত্র ভরসা। কিন্তু পরিকাঠামোগত দুর্বলতার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বনগাঁ হাসপাতালে রেফার করা হয় রোগীদের। এ দিন শুভেন্দু বলেন, ‘চাঁদপাড়া হাসপাতালের নাম মা বীণাপাণি ঠাকুরের নামে করার ঘোষণা সরকারি ভাবে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন হয়ে যাবে।’

চাঁদপাড়ার পর এ দিন মছলন্দপুরের ত্রিমূর্তি ক্লাবের কালীপুজোর মণ্ডপ উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর এবং কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। গোবরডাঙা এবং মছলন্দপুরের বাসিন্দাদের আবেগে শান দিয়ে গোবরডাঙা হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে উন্নীত করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এই হাসপাতালে ৩০টি বেড রয়েছে। ফলে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে সমস্যার মুখে পড়তে হয় স্থানীয়দের। এ বার এই হাসপাতালকে ১০০ বেডের করা হবে।’

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন