প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

Group D Recruitment: বেআইনি নিয়োগ তালিকায় নাম বনগাঁর সাংস্কৃতিক কর্মী সুশোভনের

deshersamay

Share article:

দেশের সময়, বনগাঁ: বেআইনি শিক্ষা কর্মী নিয়োগে নাম জড়াল বনগাঁ শহরের এক সাংস্কৃতিক কর্মীর৷ তাঁর নাম সুশোভন দত্ত ৷ বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ শহরের কোড়ারবাগান এলাকায় ৷তিনি নরহরিপুর সারদাচরণ বিদ্যাপীঠের অশিক্ষক কর্মচারী৷ ২০১৮ সালে তাঁর নিয়োগ হয়েছিল ৷

দিন কয়েক আগে উচ্চ বিদ্যালয় গুলিতে শিক্ষা কর্মী নিয়োগের বেআইনি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তাতেই নাম রয়েছে সুশোভন বাবুর ৷এই ঘটনা জানাজানি হতেই শহরের সাংস্কৃতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন সুশোভন বাবু ৷ চায়ের দোকানের আড্ডায় সান্ধ্যকালীন ঠেকে সুশোভন বাবুকে নিয়ে আলোচনা জমে উঠেছে ৷

বনগাঁ শহরের কয়েকজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের কথায় , শেষ পর্যন্ত যদি এই বেআইনি তালিকায় থাকা শিক্ষা কর্মীদের চাকরি বাতিল হয় বনগাঁর সংস্কৃতি ক্ষেত্রে লজ্জার বিষয় হবে ৷

সুশোভন বনলতা নামে একটি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদনা করেন৷ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা প্রকাশে তিনি অনেককেই সহযোগিতা করেন|প্রচ্ছদ শিল্পী হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে ৷ সরকারি বেসরকারি নানা অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায় ৷ বনগাঁর রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতা রয়েছে ৷এমন একজন সাংস্কৃতিক কর্মীর নাম বেআইনি তালিকায় থাকায় বনগাঁর শিক্ষা সংস্কৃতি জগতের মানুষেরা স্তম্ভিত৷ তাঁর প্রতি সহানুভূতি থেকে অনেকে বলছেন শেষ পর্যন্ত চাকরি যদি চলে যায় ছেলেটা জলে পড়বে ৷ এটা আমরা চাই না ৷ ইতিমধ্যেই মানসিক ভাবে বিব্রত বোধ করতে শুরু করেছেন সুশোভন ৷

পথে-ঘাটে পরিচিত লোকজনদের সঙ্গে দেখা হলেই মানুষ তাঁর কাছে জানতে চাইছেন ৷কেউ তাঁর দিকে তাকালেই তাঁর মনে হচ্ছে এই বুঝি বেআইনি তালিকা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক হাসি হাসছেন তারা৷ সব মিলিয়ে অনেকটাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সুশোভন বাবু ৷

সুশোভন বাবু বলেন, সঠিক পদ্ধতি মেনে চাকরি পেয়েছি। ২০১৬ সালে অ্যাড দেখে সবার মত আমি ফর্ম ফিলাপ করি। প্রথমে লিখিত পরীক্ষা হয়। তারপর বারাসাতে এসএসসি অফিস এ ভাইভা হয়। ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন হয়। আমার রাঙ্ক হয় এই জেলায় ১৩ । সল্টলেকে আচার্য্য সদন এ এসএসসি অফিস কাউন্সিলিং এ ডাক পাই। সেখানে আমি স্কুল সিলেকশন করি। তখনই এসএসসি রেকমেন্ড করে ও বোর্ড অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেয়। পরদিন স্কুলএ জয়েন করি । পরে এ ডি আই অফিস থেকে অ্যাপ্রভাল দেয়। কিছুদিন পরে মেডিক্যাল টেস্ট হয়। ডি আই বি ভেরিফিকেশন হয়। কিছুদিন আগে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে পার্মানেন্ট অ্যাপরভাল দেয়।
এখন এই তালিকায় আমার নামে দেখে অবাক হচ্ছি৷

তিনি আরও জানান,কোর্ট এর প্রতি ভরসা আছে। বিষয় টি বিচারাধীন। তাই মন্তব্য করা উচিত নয়। তবে তালিকায় নামে দেখে সবাই জানতে চাচ্ছেন বেশ অস্বস্তি হচ্ছে ৷

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন