প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

DA : ডিএ মামলা: বকেয়া মেটাতেই হবে, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

deshersamay

Share article:
Notice

দেশের সময় ওয়েব ডেস্কঃ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন ও সংবহন সংস্থার কর্মীদের ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর জন্য সংস্থার তরফে পাঁচশো কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে আগেই জানানো হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টকে। কিন্তু তার পরেও মেটেনি রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থার কর্মীদের বকেয়া ডিএ। এই মামলার শুনানিতে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে ফের ক্ষোভ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে বকেয়া ডিএ সবটা না মেটানোর অভিযোগ উত্থাপন করেন কর্মীদের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলও।

এদিন এজি বলেন, ‘বকেয়া মেটানো নিয়ে আগের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আবেদন করা হয়েছে। এই মামলার শুনানি হতে চলেছে ১৪ ডিসেম্বর।’ প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ২০২০ সাল থেকে নতুন হারে বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে আদালতের দেওয়া নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। এ কথা শুনে বিচারপতির পাল্টা জবাব ছিল, ‘রিভিউ পিটিশন করলেই পুরনো টাকা মেটানোর নির্দেশ কার্যকর না করার সুযোগ তৈরি হয় না।’

এদিন আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, আগের বকেয়া মেটাতেই হবে এবং তা ৬ জানুয়ারির মধ্যে। কারণ আগের রায়ের প্রেক্ষিতে করা রিভিউ পিটিশন মামলার পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে ৬ জানুয়ারি। তার আগেই মেটাতে হবে আগের বকেয়া ডিএ।

এদিন বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘ডিএ কর্মীদের অধিকার, দয়া নয়। এটা স্পষ্ট করে বুঝতে হবে। কর্মীরা আছে বলেই প্রতিষ্ঠান আছে, না হলে প্রতিষ্ঠান থাকত না। এভাবে চলতে পারে না। আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টও এই ডিএ মেটানো নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে।’

এজি এদিন আদালতে আরও জানান, ৫১০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে কর্মীদের। কিন্তু একথা শোনার পরেও আদালতের স্পষ্ট মন্তব্য, ‘কোনওভাবেই কর্মীদের বঞ্চিত করে যাবে না। এটা তাদের কষ্টের দাম। কতদিন এই ভাবে বঞ্চিত থাকবেন তাঁরা?’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে এসেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হাইকোর্টের রায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের পক্ষেই গিয়েছিল। ইতিমধ্যেই এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। আগামী সোমবার মামলার শুনানি হতে চলেছে। তার আগে কলকাতা হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন