প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

Bengaluru Daughter Killing: ‘মেয়েটা খিদেয় কাঁদছিল,পয়সা ছিল না তাই শ্বাসরোধ করে মেরে ফেললাম’! পুলিশকে বয়ান ইঞ্জিনিয়ার যুবকের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ খিদের জ্বালায় আড়াই বছরের মেয়েটি কেঁদেই চলেছিল। পকেটে যা টাকা ছিল তা দিয়ে বিস্কুট, চকোলেট কিনে এনে দিয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু তাতে খিদে না মেটায় তার পরেও কাঁদছিল মেয়েটি। শেষমেশ ওকে বুকের মধ্যে জোরে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলেছিলেন। নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। পুলিশকে এ কথা বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি কাজ হারিয়েছে ওই যুবক। এমনকী বিট কয়েন ব্যবসাতেও প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সে। পুলিশি জেরায় রাহুল জানিয়েছে, ‘আমি ঋণের দায়ে জর্জরিত। এই বিপুল পরিমাণ টাকা শোধ করার জন্য স্ত্রীর গয়নাও বন্ধক রেখে দিয়েছিলাম। আর স্ত্রীকে বলেছিলাম যে, সেগুলো চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু তাতেও সব সমস্যা মেটেনি। তাই মেয়ের আর আমার দু’জনেরই জীবন শেষ করার কথা ভেবেছিলাম।’

নিজেদের শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েই মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। এরপর গাড়ির পিছনের সিটে মেয়েকে বসিয়ে শহরের নানাপ্রান্তে ঘুরতে থাকে। অনেকক্ষণ ধরে এভাবেই ঘুরতে থাকে দু’জন। এরপর খিদে পেতেই কাঁদতে শুরু করে বাচ্চা মেয়েটি। কিন্তু সেসময় খাওয়ানোর জন্য খুব বেশি টাকা ছিল না।
উপায় না দেখে রাস্তার ধারের একটি দোকান থেকে মেয়েকে বিস্কুট কিনে দেয় ওই যুবক। আর তারপরই সিদ্ধান্ত নেয় মেয়েকে মেরে ফেলার। এরপর বেঙ্গালুরু শহরেই একটি হ্রদের মধ্যে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ দেয়। সেখানেই কোল থেকে বাচ্চাটি ছিটকে জলে ডুবে যায়। ঘটনার পর সেখান থেকে পালিয়ে যায় রাহুল।

ঘটনার পরদিন ওই লেকেই ভেসে ওঠে বাচ্চাটির দেহ। শুরু হয় এর তদন্ত। খোঁজ নিয়ে খবর পাঠানো হয় বাচ্চাটির বাড়িতেও। এরপরই তদন্ত শুরু হতে পুলিশের সন্দেহ হয়। সবার পাশাপাশি বাচ্চাটির বাবাকে বসিয়েও জেরা করা হয়। তখনই সমস্ত কথা জানিয়ে দেয় সে। মেয়েকে খুনের পর সেও যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল, সেই কথাও পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন