Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

‘প্রতীক’ এ বার জোড়াফুল, অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান ‘বিদ্রোহী’ বাম নেতার

deshersamay

Share article:

২০২৪ সালের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রতীক বদল করলেন সিপিএম থেকে সদ্য বহিষ্কৃত প্রতিকুর রহমান।

শনিবার আমতলার কার্যালয়ে দলীয় সতীর্থদের নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈঠক করছিলেন অভিষেক। বিকেল ৪টে নাগাদ সেখানে সশরীরে হাজির হন প্রতিকুর রহমান। তিনি কার্যালয়ে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, এসএফআই রাজ্য দফতরে তাঁর নামে বরাদ্দ তিন নম্বর লকারটি থেকে নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

গত লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে সিপিএমের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রতিকুর, যেখানে তাঁর লড়াই ছিল অভিষেকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সেই প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ করে সিপিএম ।

দলীয় গঠনতন্ত্রের ১৯ নম্বর ধারা এবং ৫৬ নম্বর উপধারা অনুযায়ী প্রতীক-উরকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি সিপিএমের রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এমনকি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন প্রতিকুর। সিপিএমের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করে তাঁকে বহিষ্কার করার সুযোগ থাকলেও, এখনই সেই পথে হাঁটতে চায়নি আলিমুদ্দিন। বরং দলের একাংশ তাঁকে ধরে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলেন। খোদ প্রবীণ নেতা বিমান বসুও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে মানভঞ্জনের চেষ্টা করেন। এমনকি সাধারণ কর্মী-সমর্থকদেরও সমাজমাধ্যমে প্রতিকুরের পক্ষে সওয়াল করতে দেখা গিয়েছিল।

পার্টি চেয়েছিল বহিষ্কারের পথে না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রতিকুরকে ফেরাতে। কিন্তু শনিবার বিকেলে আমতলার ছবিটা যেন সব অঙ্ক ওলটপালট করে দিল। আলিমুদ্দিনের ‘ধরে রাখার’ নীতি যে শেষ পর্যন্ত কাজে এল না তা প্রমাণ হয়ে গেল।

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে বাম শিবিরের এই রক্তক্ষরণ এবং ঘাসফুল শিবিরের সক্রিয়তা দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক সমীকরণকে যে আরও জটিল করে তুলল, তা বলাই বাহুল্য।

এ দিন তৃণমূলে যোগদানের পরে প্রতীক বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এই সময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য, বিজেপিকে আটকানোর জন্যে যে ভাবে গোটা দেশে মানুষের কণ্ঠরোধ হয়েছে, তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্যে সবথেকে বড় শক্তি হলো তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণেই আমি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এসেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এসেছি।’

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন