Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Parliament Special session: বিপক্ষে ২৩০ ভোট! এককাট্টা বিরোধীরা, মহিলা সংরক্ষণে সংবিধান সংশোধনী বিল ‘ব্যর্থ’ লোকসভায়

deshersamay

Share article:

দেশজুড়ে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে ধাক্কা খেল কেন্দ্র। মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভায় আসনবৃদ্ধি সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে শুক্রবার লোকসভায় ভোটাভুটিতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেল না নরেন্দ্র মোদীর সরকার। এদিন বিলের পক্ষে ভোট পড়ল ২৯৮টি। বিপক্ষে ভোট পড়ল ২৩০টি। মোট ভোট পড়েছে ৫২৮টি। ফলে বিলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাশ করাতে ব্যর্থ হল সরকার। লোকসভার স্পিকার ফলাফল জানানোর পরই বিরোধী শিবিরে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

সংসদের তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে বড়সড় পরাজয়ের মুখে পড়ল শাসক শিবির এনডিএ (NDA)। লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ ত্বরান্বিত করা এবং জনগণনা ছাড়াই আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিলটি প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে লোকসভায় খারিজ হয়ে গেল। শুক্রবার ভোটাভুটির পর দেখা যায়, বিলের পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়লেও বিপক্ষে পড়েে ২৩০টি ভোট। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিল পাশের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। তাই এই ফল মোদী সরকারের জন্য এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিলটি পাশের জন্য এনডিএ-র প্রয়োজন ছিল ৩২৬টি ভোট। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট। বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোটাভুটিতে যোগ দেন। 

বিলটি পাশের জন্য এনডিএ-র প্রয়োজন ছিল ৩২৬টি ভোট। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট। বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোটাভুটিতে যোগ দেন। 
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অধিবেশনে কেন্দ্র তিনটি বিল পাশের লক্ষ্য নিয়েছিল –

১. ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল: লোকসভা ও বিধানসভায় ৩৩% নারী সংরক্ষণ (পাশাপাশি লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করা)।

২. ডিলিমিটেশন বিল: লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত।

৩. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল: কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে আসন বৃদ্ধির উদ্দেশে।

বিলটি পেশ হওয়ার পর থেকেই বিরোধীরা সরব হয়েছিলেন। তাঁদের মূল অভিযোগ ছিল, ২০২৩ সালে পাশ হওয়া ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’-এ স্পষ্ট বলা হয়েছিল যে, নতুন জনগণনার পরেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে এবং তার ভিত্তিতে সংরক্ষণ কার্যকর হবে। কিন্তু এখন সরকার জনগণনা পর্যন্ত অপেক্ষা না করে কেন তড়িঘড়ি আসন পুনর্বিন্যাস ও আসন সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টিকে এর সঙ্গে জুড়ে দিল?

বিরোধী নেতাদের দাবি, লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার মতো বড় একটি বিষয়কে মহিলা সংরক্ষণের আড়ালে ঢুকিয়ে দিয়ে বিজেপি আসলে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করতে চাইছে। তাঁদের মতে, এটি আসলে উত্তর ভারতের হিন্দি বলয়ের রাজ্যগুলিতে আসন বাড়িয়ে বিজেপির শক্তি সংহত করার একটি ‘গোপন কৌশল’।

এদিকে বিল খারিজ হওয়ার পর শাসক শিবিরের দাবি, বিরোধীরা আসলে মহিলাদের আসন সংরক্ষণের বিরোধী, তাই তারা এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে বাধা দিল। যদিও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আসন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের বিষয়টি একসঙ্গে জুড়ে দেওয়ার কোনও সদুত্তর না মেলায় ক্ষুব্ধ ছিলেন বিরোধী সাংসদরা।

এই বিলটি খারিজ হওয়ার ফলে ২০২৯ সালের নির্বাচনের আগে নারী সংরক্ষণ কার্যকর হওয়ার বিষয়টি আবারও ঝুলে গেল। বিশেষ অধিবেশনে শাসক দলের এই হার জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধীদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন