Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

100-Metre ‘Lakshman Rekha’ Around Booths:বুথের ১০০ মিটার বরাবর সাদা চক দিয়ে কেটে দেওয়া হবে লক্ষ্মণরেখা , ভোট মিটলেও প্রয়োজন অনুযায়ী থাকবে বাহিনী

deshersamay

Share article:
সুব্রত বক্সী , দেশের সময়

ভোট যত এগিয়ে আসছে, নিরাপত্তা-পরিকল্পনা তত বেশি মজবুত করার পথে হাঁটছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, অতিরিক্ত আরও প্রায় ১৫০ কোম্পানি বাহিনী আনার সিদ্ধান্ত একপ্রকার নিয়ে ফেলেছে তারা। শেষপর্যন্ত তা কার্যকর হলে প্রথম দফার ভোটেই ব‍্যবহার হতে পারে প্রায় ২৫৫০ কোম্পানি বাহিনী। আগের পরিকল্পনায় তা ছিল প্রায় ২৪০০ কোম্পানি।

একই সঙ্গে কমিশনের সিদ্ধান্ত, ভোট হলেই ফিরে যাবে না বাহিনী। ভোট পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে যতদিন প্রয়োজন ততদিনই বাহিনী থাকবে জেলায় জেলায়। মনে করা হচ্ছে, উপদ্রুত এলাকার ভোটারদের আশ্বস্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত। একই সঙ্গে, রাজ্য পুলিশের বাহিনী ঘাটতি সামলাতে ব‍্যক্তিগত নিরাপত্তাগুলি পুনরায় খতিয়ে দেখার নির্দেশ রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং নিরাপত্তা অধিকর্তাকে দিয়েছে কমিশন।

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে রোজই নিত্যনতুন পদক্ষেপ করেই চলছে নির্বাচন কমিশন। বুথে বুথে চলবে ৩৬০ নজরদারি। থাকছে এআই ক্যামেরা। এবার বুথের চারপাশে আক্ষরিক অর্থেই তৈরি করা হচ্ছে ‘লক্ষ্মণ-গণ্ডি’। সাদা চক দিয়ে বুথের ১০০ মিটার এলাকা বৃত্তাকারে ঘিরে দেওয়া হবে। এই লক্ষ্মণরেখার ভেতর ভোটার ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। ভোটারদের নথি যাচাইয়ের জন্য বিএলও এবং একজন সহকারী এই গণ্ডির বাইরে থাকবেন। বুথের বাইরে দুটি টেবিলে বসেই তাঁরা যাবতীয় যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করবেন।

ভোটার স্লিপ বিলি এবং তা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও কমিশন এবার অত্যন্ত কঠোর নিয়মাবলি জারি করেছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হাতেই সরাসরি স্লিপ পৌঁছে দেবেন। স্লিপ বিলির সময় কোন কোন ভোটারকে পাওয়া যায়নি এবং কেন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তার সবিস্তার তথ্য প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে থাকবে। এমনকি স্লিপ বিলির সময় যারা বাড়িতে ছিলেন না, তারা ভোট দিতে এলে কেন উপস্থিত ছিলেন না তা প্রিসাইডিং অফিসার জানতে চাইবেন। যথাযথ নথি ও ছবি মিলিয়েই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেবেন।

কেউ যাতে অন্যের নাম ব্যবহার করে ভুয়ো ভোট দিতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে বুথে আরও একবার ‘এএসডি’ (Absent, Shifted, Dead) তালিকা যাচাই করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে এবারের ভোটে মাইক্রো অবজার্ভারদের পোশাকে থাকছে বডি ক্যামেরা।

বুথ চত্বরে বা আশেপাশে কোনও প্রকার সন্দেহজনক গতিবিধি ধরা পড়লেই কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোজা কথায়, ভোট প্রক্রিয়ায় যে কোনও ধরনের কারচুপি রুখতেই প্রযুক্তির এই নিশ্ছিদ্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোটারদের আস্থা ফেরাতে, টি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই সার্বিক পরিকল্পনা বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। যার হাত ধরেই বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এক নতুন নজির স্থাপন করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

অন্যদিকে নির্বাচনী নিরাপত্তা ও নিয়মাবলি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতেও কমিশন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন কোন আচরণ নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, সে বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন