Tunnel rescue LIVE: খননের শব্দ কানে আসছে ৪১জন শ্রমিকদের, সুড়ঙ্গের ভিতরেই অস্থায়ী হাসপাতাল ,শেষ মুহূর্তের উদ্ধারকাজ চলছে
deshersamay
উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে, ধসে জেরে আটকে পড়া ৪১ শ্রমি মুক্তি পেতে পারেন আজই। সরকারিভাবে কোন সময়সীমা দিতে চাইছেন না সরকারি আধিকারিকরা। তবে সূত্রের খবর, আটকে থাকা শ্রমিকদের পরিবারবর্গকে ‘সুখবর’-এর জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে …

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ ইঁদুরের মতো গর্ত খুঁড়ে সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে আটক ৪১ জন শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল। যে পাইপের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবেন শ্রমিকেরা, তা যথাযোগ্য জায়গায় রাখা হয়েছে। শ্রমিকদের বার করে আনার জন্য শেষ মুহূর্তের কিছু কাজ চলছে। সুড়ঙ্গের বাইরে রয়েছে চিকিৎসকদের একটি দল। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর শ্রমিকদের পাঠানো হবে জেলা হাসপাতালে।


পাইপের ভিতর দিয়ে সুড়ঙ্গে পৌঁছে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে যাবেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যেরা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন। বোঝাবেন, কী ভাবে ওই পাইপ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে তাঁদের। এই পাইপটি আড়াই ফুট চওড়া। পাইপের যে সব জায়গায় ঝালাই হয়েছে, সেগুলি বেশ ধারালো।

সেখান দিয়ে বেরোনোর সময় আঘাত লাগতে পারে শ্রমিকদের। এ সব ঝুঁকির কথাই বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে শ্রমিকদের। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, সুড়ঙ্গ থেকে হামাগুড়ি দিয়ে হেঁটে বেরোবেন শ্রমিকেরা। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ দিন সুড়ঙ্গে আটক থাকার কারণে তাঁরা শারীরিক ভাবে আর সক্ষম নন। সে কারণে চাকা লাগানো ট্রলির মাধ্যমে পাইপ দিয়ে তাঁদের বার করে আনা হবে।

সুড়ঙ্গের বাইরে উপস্থিত রয়েছে ৪১টি অ্যাম্বুল্যান্স। সেখানে অস্থায়ী একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রও গড়া হয়েছে। সেই কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শ্রমিকদের ৩০ কিলোমিটার দূরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। যেতে যাতে বেশি সময় নষ্ট না হয়, তাই তৈরি করা হয়েছে গ্রিন করিডোর। জেলা হাসপাতালের পাশে অস্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরি করে চপারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনও শ্রমিকের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে হৃষীকেশের এমস হাসপাতালে ভর্তি করানো হবে। সেখানেই চলবে তাঁর চিকিৎসা।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরকাশী জেলা হাসপাতালে ৪১টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রত্যেক শয্যায় রয়েছে অক্সিজেনের ব্যবস্থা। ট্রমা কেয়ার ইউনিট, আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শরীরের পাশাপাশি মনের চিকিৎসাও চলবে শ্রমিকদের।

গত ১২ নভেম্বর থেকে সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকেরা। সেই থেকে বিভিন্ন উপায়ে চলছে উদ্ধারের চেষ্টা। একটি পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে অন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে এগিয়েছে উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরের মতো গর্ত খনন করে উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে। যন্ত্রের পরিবর্তে হাত দিয়েই হয়েছে খনন কাজ। তা সফলও হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সুড়ঙ্গের বাইরে পৌঁছেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্করসিংহ ধামী।



