Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
যশোর রোডে বিপজ্জনক মরা ডাল কাটার কাজ শুরু হতে চলেছে জানালেন খাদ্যমন্ত্রী, খুশি বনগাঁর বাসিন্দারা : দেখুন ভিডিও World Cup 2026: নকআউটে নেদারল্যান্ডস, গ্রুপে তৃতীয় হয়েও আগামীতে উঠতে পারে কোন কোন টিম? বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী!

আজই কলকাতায় আসছে কোভিশিল্ড টিকা, ৯৪১টি কোল্ড-চেনে পৌঁছে যাবে শহরও জেলায়

deshersamay

Share article:

দেশেরসময় ওয়েবডেস্কঃঅপেক্ষার শেষ হতে চলেছে। বাংলায় আজ বিকেলের মধ্যেই এসে যাবে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড টিকা। দুপুরের দিকে পুণের ল্যাবরেটরি থেকে টিকার ভায়াল নিয়ে কলকাতায় উড়ে আসবে বিমান। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে টিকার ভায়াল পৌঁছে যাবে উত্তর কলকাতার বাগবাজারের কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোর্সে। সেখান থেকে শহর ও জেলার বিভিন্ন কোল্ড-চেনে টিকার ভায়াল পৌঁছে দেওয়া হবে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ৬.৯ লাখ টিকার ডোজ আজই চলে আসবে পশ্চিমবঙ্গে। তারপর ধাপে ধাপে আরও ডোজ আসবে। গতকালই সেরামের থেকে টিকার ১ কোটি ১০ লক্ষ ডোজ কিনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এপ্রিলের মধ্যে আরও সাড়ে চার কোটি টিকার ডোজ কেনা হবে। হিন্দুস্থান লাইফকেয়ার লিমিটেড নামে একট কেন্দ্রীয় সংস্থার মারফৎ টিকার ডোজ কেনা হচ্ছে। সেখান থেকে তা চাহিদা মতো পৌঁছে যাবে রাজ্যে রাজ্যে।

কলকাতার বিমানবন্দরে যে পরিমাণ টিকার ভায়াল নামানো হবে তার একাংশ যাবে বাগবাজারের কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোর্সে, বাকিটা হেস্টিংসের গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল স্টোর্সে মজুত করা হবে। শহর ও জেলা মিলিয়ে মোট ৯৪১টি কোল্ড-চেনে টিকার ভায়াল পৌঁছে দেওয়া হবে। হেস্টিংসের স্টোর থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে টিকার ভায়াল সরবরাহ করা হবে বলে খবর।

শনিবার ১৬ জানুয়ারি থেকে টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে দেশজুড়ে। টিকাকরণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই দুদফায় মহড়া তথা ড্রাই-রান হয়ে গেছে। প্রতি রাজ্যে জ়োন ভাগ করে টিকাকরণের শিবির তৈরি হয়েছে। প্রতিটি শিবিরে স্বাস্থ্যকর্মীরা ছাড়াও টিকাকরণের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য থাকবেন ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের অফিসাররা। নাম নথিভুক্ত করার পরেই টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া হবে।

সরকারি খাতায় নাম ও পরিচয়পত্রের রেকর্ড থাকবে। ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা আগে টিকা পাবেন। কোনও রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে তার প্রতিষেধকের ব্যবস্থাও থাকবে। অ্যাড্রিনালিন ইঞ্জেকশন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুত থাকবে শিবিরগুলিতে। কাছাকাছি স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতাল দেখেই টিকাকরণের স্পট বাছা হয়েছে, যাতে টিকার ডোজ দেওয়ার পরে শারীরিক অস্বস্তি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে কী ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে বা কোনও জটিলতা তৈরি হলে তার উপসর্গ কী কী, সেসব সরকারি নথিতে লিখে রাখা হবে।
কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাগবাজার ও হেস্টিংসের স্টোরে টিকা নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কড়া পুলিশি ব্যবস্থা থাকবে। বিমানবন্দর থেকে টিকা বোঝাই ট্রাককে এসকর্ট করবে পুলিশের গাড়ি। টিকাকরণের সময়েও যাতে কোনও ঝামেলা না হয়, তার জন্য স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.