Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
যশোর রোডে বিপজ্জনক মরা ডাল কাটার কাজ শুরু হতে চলেছে জানালেন খাদ্যমন্ত্রী, খুশি বনগাঁর বাসিন্দারা : দেখুন ভিডিও World Cup 2026: নকআউটে নেদারল্যান্ডস, গ্রুপে তৃতীয় হয়েও আগামীতে উঠতে পারে কোন কোন টিম? বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী!

হাবড়ায় মানুষকে আরও বেশি সচেতন করতে মাস্ক বিলি করলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

deshersamay

Share article:

দেশের সময় , হাবড়া: হাবড়ায় সঠিক পদ্ধতিতে লকডাউন মেনে চলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমছে। শনিবার এলাকা ঘুরে এমনই দাবি করলেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সোমবার তিনি হাবড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মানুষদের মধ্যে মাস্ক বিলি করেন।

হাবড়া, অশোকনগর এলাকায় ব্যাপকহারে মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ায় যথেষ্ঠ চিন্তিত হয়ে পড়েছিল পুলিশ প্রশাসন। তারপরই প্রশাসনিকভাবে সম্পূর্ণ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাস্তাঘাটে চলাচল, দোকান খোলার বিষয়ে বিশেষ নিয়ম চালু করা হয়। এলাকার বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁর এলাকার মানুষদের উদ্দেশ্যে বহুবার বার্তাও পাঠান। শনিবার এলাকার পরিস্থিতি দেখতে হাবড়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। তিনি লক্ষ করেন, পথচলতি মানুষ, দোকানদার অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। 

হাবড়ায় মাস্ক বিলি করছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক- ছবি তুলেছেন দেবানন্দ পাইন৷

অনেকে নিয়ম রক্ষা করতে শুধু রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। এই অবস্থায় ওইসব মানুষকে ডেকে তাঁদের হাতে মাস্ক তুলে দেন তিনি। ‘‌করোনা রুখতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্ন্দ্যোবপাধ্যায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। আমাদেরকেও সেই লড়াইয়ে শামিল হয়ে করোনাকে নির্মূল করতে হবে। আর তাই আমাদের প্রত্যেককে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

পারলে সঙ্গে গ্লাভস, টুপি ব্যবহার করতে হবে। স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সামান্য কিছু নিয়ম মেনে সচেতনভাবে চলাচল করলে আমরা করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হব। হাবড়া এলাকায় আপাতত ২২ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন চলবে। তারপর দু’‌দিন বিরতি দিয়ে আবার ৩১ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন পালন করতে হবে। এতেই হাবড়া এলাকায় করোনার প্রভাব কমে আসবে বলে ধারনা।’‌‌ হাবড়া মানুষের পাশে আছি এবং থাকব মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো অতন্দ্র প্রহরী হয়ে৷

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.