প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

সাত তারিখ নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন না মমতা!শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা কী বলছেন

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ শুভেন্দু অধিকারী আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পরই তৃণমূল জানিয়েছিল, ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে গিয়ে সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু দল ছাড়লেও নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলের জনভিত্তি যে অটুট, সেই বার্তা দেওয়াই ছিল উদ্দেশ্য। কিন্তু শাসক দল সূত্রে এখন খবর, ওই দিন নন্দীগ্রামে যাবেন না দিদি। পরিবর্তে সভা করবেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী।


৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে আগেই সভা ডেকে রেখেছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু দিদির সভা ঘোষণা হতেই, শুভেন্দু দিন পরিবর্তন করেন। গত বৃহস্পতিবার কাঁথির সভা থেকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, শুভেন্দুকে ঠেকাতে জোড়ায় জোড়ায় মন্ত্রী পাঠানো হচ্ছে। তা দিয়ে যখন হচ্ছে না, তখন মুখ্যমন্ত্রী এবার নিজেই আসছেন। এখানেই না থেমে শুভেন্দু বলেছিলেন, “আপনি ৭ তারিখে পুলিশ দিয়ে লোক জড়ো করবেন। আমি ৮ তারিখে ভালবাসা দিয়ে লোক জোগাড় করব।”


এখন কৌতূহলের বিষয় হল, ৭ তারিখ নন্দীগ্রামে কর্মসূচি কেন বাতিল করলেন দিদি? দু পা এগিয়ে কেন এক পা পিছিয়ে আসা হল। তার স্পষ্ট কোনও কারণ দলের তরফে এখনও দেওয়া হয়নি। তবে অনেকের মনে করছেন, শুভেন্দু দল ছাড়ার পর হয়তো হুজুগের মাথায় দিদির সভা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন হয়তো ভেবে দেখা হচ্ছে যে এতে শুভেন্দুকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। আবার কারও কারও মতে, নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর তুল্যমূল্য জমায়েত করার সাংগঠনিক ক্ষমতা নেই দলের অন্য কারও। ভিড় করতে গেলে অন্য জেলা থেকেও লোক নিয়ে যেতে হতে পারে।

তবে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এ যাত্রায় মুখোমুখি লড়াই না হলেও পরে তৃণমূল নেত্রী যখনই মেদিনীপুরের কোথাও সভা করবেন, তার পর দিনই সভা হবে দাদার। কারণ, এ বার আর এক তরফা কিছু হবে না। কথার পিঠে কথা হবে।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন