বাংলায় বর্ষশেষেও জারি থাকবে ঠান্ডার ঝোড়ো ইনিংস? জানুন আবহাওয়ার আপডেট

0
240

বাংলার বিভিন্ন জেলায় আরও জোরালো হয়েছে শীতের তাণ্ডব। নতুন বছরের আগেই আছড়ে পড়া শীত শহর ও দক্ষিণ বাংলার মানুষের বুকে রীতিমত কাঁপুনি ধরাচ্ছে। রবিবার সকাল থেকে কলকাতা ও দক্ষিণ বাংলার একাধিক জেলায় কুয়াশার দাপট লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সোমবার কেমন থাকবে ঠান্ডার দাপট? পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দিনের বেলায় সামান্য শীত কমতে পারে, কিন্তু রাতেই ফের কাঁপুনি ধরাবে ঠান্ডার স্রোত।

আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দু’দিন পরপর রেকর্ড ঠান্ডা পড়েছে। শ্রীনিকেতন এবং আলিপুরদুয়ারের তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শীত আরও তীব্র হচ্ছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কিছুটা বেড়ে গিয়ে রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.২ ডিগ্রি বেশি। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১.৬ ডিগ্রি কম। শ্রীনিকেতন সর্বনিম্ন ৮.০ ডিগ্রি, আলিপুরদুয়ারও ৮.০ ডিগ্রি এবং দার্জিলিংতে তাপমাত্রা নামেছে ৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও শীতল। কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ঘন কুয়াশার দাপট অব্যাহত রয়েছে। যেখানে দৃশ্যমানতা মাত্র ৫০-২০০ মিটার। অন্যান্য জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার প্রভাব রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুষ্ক আবহাওয়া এবং সকালের কুয়াশা আরও কিছুদিন বজায় থাকবে এবং শীত আরও তীব্র হতে পারে।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা আগামী সাত দিনে বিশেষ হেরফের হবে না। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। আগামী সপ্তাহে উত্তর-পশ্চিম ভারতে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। ফলে এরপর থেকেই কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গেরই পারদ ২-৩ ডিগ্রি বেড়ে যাবে।

নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা প্রায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে সামান্য শীতের দাপটে ভাটা দেখা দিতে পারে। শ্রীনিকেতন সম্প্রতি দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে ঠান্ডা হয়ে উঠেছে, এমনকী কালিম্পং থেকেও কম তাপমাত্রা দেখা গেছে।

দার্জিলিং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে জারি হয়েছে ঘন কুয়াশার হলুদ সতর্কতা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন বছরের প্রথম দিনেই বরফ পড়তে পারে দার্জিলিঙে। রয়েছে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাসও।

Previous articleঅন্ধ্রপ্রদেশে চলন্ত ট্রেনের কামরায় আগুন, মৃত্যু এক যাত্রীর
Next articleএবার দুয়ারে গাছের চারা! পুরনো গাছ চিহ্নিত করে তার পরিচর্যা শুরু বনগাঁ পুরসভার উদ্যোগে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here