

Live :পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ উপলক্ষে কলকাতায় সাজো সাজো রব। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন। ব্রিগেডে শপথগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পাশাপাশি সেখানে থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। সকাল ১১টায় শপথগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। তার নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী
বায়ুসেনার বিমানে দমদম বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। কিছুক্ষণের মধ্যেই চপারে চেপে রে কোর্সে আসবেন এবং সেখান থেকে ব্রিগেডে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিগেড চত্বরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি করা হয়েছে।


Live: ব্রিগেডে হুডখোলা গাড়িতে শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চের দিকে রওনা প্রধানমন্ত্রীর
শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে নিয়ে ব্রিগেডে প্রবেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গাড়িতে তিন জনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন হবে। শুভেন্দু অধিকারীকে বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হবে।

রবীন্দ্রজয়ন্তীর শুভেচ্ছা শুভেন্দুর
শনিবার সকালে রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শুভেন্দু। লিখেছেন, ‘‘নোবেলজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। কবিগুরুর অমর সৃষ্টি, দর্শন এবং দেশপ্রেম আমাদের জীবনের পাথেয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আকাশে তিনি চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। তাঁর মহান বাণী ‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির’ আগামী দিনে মানবসভ্যতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাক।’’

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার কলকাতায় এসেছেন। বিকেলে বিজেপির জয়ী ২০৭ জন বিধায়ককে নিয়ে নিউ টাউনে বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দুকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গ জয়ের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে শাহ মনে করিয়ে দিয়েছেন বিজেপি কর্মীদের দায়িত্বের কথা। নেতাৃ-কর্মীদের জানিয়েছেন, রাজ্যবাসীর বিশ্বাস যেন না ভাঙে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে শনিবার কলকাতায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কলকাতা পুলিশ শুক্রবারই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, এসপ্ল্যানেড র্যাম্প, কেপি রোড, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ, কুইনস্ওয়েতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হবে। ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টে পর্যন্ত মালবাহী গাড়ির যাতায়াত বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত ছাড় রয়েছে। যেমন এলপিজি সিলিন্ডারবাহী মালগাড়ি, সিএনজি, পেট্রোলিয়াম, তেল, লুব্রিক্যান্ট, অক্সিজেন, শাক-সব্জি, ওষুধপত্র, মাছ, ফল, দুধ ভর্তি গাড়ির ছাড়পত্র থাকবে।
শনিবার শহরের কয়েকটি জায়গায় গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকছে। যেমন, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের পাশের রাস্তা, এজেসি বোস রোডের কিছু অংশ থেকে হেস্টিংস ক্রসিং, ক্যাথিড্রাল রোড, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল রোড, কুইনস্ওয়ে, লাভার্স লেন ইত্যাদি রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না।

সকাল থেকেই ধীর ধীরে ব্রিগেডমুখী হয়েছেন মানুষ। বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা দূরদূরান্ত থেকে কলকাতায় আসছেন প্রথম বিজেপি সরকারের শপথের সাক্ষী থাকবেন বলে।

ব্রিগেডে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদেরও। তৃণমূল জমানায় রাজনৈতিক কারণে বা ভোট-পরবর্তী হিংসায় যে সমস্ত বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন, তাঁদের পরিবার ব্রিগেডে থাকবেন।




