প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

“পাহাড়কে শান্ত রেখেছি আমরাই,যদি কেউ পাহাড়ে আগুন জ্বালাতে চায় তা পাহাড়ের মানুষ হতে দেবেন না” হুঁশিয়ারি বিনয় তামাংদের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ রবিবার ডুয়ার্সের বীর পাড়ায় জনসভা করেছেন বিমল গুরুং। কার্যত ওই একই সময়ে শিলিগুড়ির অদূরে জনসভা করলেন বিনয় তামাং। গত রবিবার এই শিলিগুড়িতেই প্রায় সাড়ে তিন বছর পর পা রেখেছিলেন গুরুং। পাহাড় থেকে লোক এনে সভাও করেছিলেন। মনে করা হচ্ছে, তারই পাল্টা সভা করলেন বিনয় তামাং।
এদিন বিনয় বলেন, “পাহাড়কে শান্ত রেখেছি আমরাই। আবার যদি কেউ পাহাড়ে আগুন জ্বালাতে চায় তা পাহাড়ের মানুষ হতে দেবেন না।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিনয় তামাংদের এদিনের সভায় জমায়েতে ছিল চোখে পড়ার মতো।”

ওদিকে বীরপাড়ার সভা থেকে কার্যত ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছেন গুরুং। এদিন তিনি বলেন, “পঞ্চায়েতে বিজেপিকে জেতালাম, বিধানসভায় জেতালাম, লোকসভাতেও জেতালাম। কিন্তু আমাদের কথা দিয়েও কথা রাখেনি বিজেপি। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শা বলেছিলেন আমাদের সমস্যার সমাধান করবেন। কিন্তু সাড়ে তিন বছরে কিছুই করেননি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা রাখতে জানেন। তাই তাঁকেই আবার জেতাতে হবে।”
এদিকে তখন বিনয় তামাং সুকনার সমাবেশে বলেন, “আমরা কেন্দ্র-রাজ্য দুই সরকারকেই বলব, পাহাড়ের মানুষের মৌলিক সমস্যা সমাধানে কাজ করুন। এখনও ভোট হতে ছমাস বাকি। আমরা সময় মতো আমাদের অবস্থান জানিয়ে দেব।”

হুঁশিয়ারির সুরে অনিত থাপা বলেছেন, “পাহাড়ের নেতা বিনয় তামাংই। পাহাড়ে যেই যাক তাঁর নেতৃত্বেই কাজ করতে হবে।” নাম না করলেও ইঙ্গিত যে গুরুংয়ের দিকে তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। সব মিলিয়ে ঠান্ডার পাহাড়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ তপ্ত হচ্ছে।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন