প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•গ্রেফতার বনগাঁর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস ,বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগ : দেখুন ভিডিও •‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন?

পাকিস্তানকে অস্ত্র দিচ্ছে চিন,ড্রোনের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে যাচ্ছে কাশ্মীরে! এমনই দাবি গোয়েন্দাদের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ লাদাখ সীমান্তে যখন সংঘাত চলছে তখন চিনের বিরুদ্ধে ভারত-বিরোধী নতুন ষড়যন্ত্রের তথ্য সামনে আনলেন গোয়েন্দারা। সরকারি সূত্রে বলা হচ্ছে, চিনের অঙ্গুলিহেলনেই জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তান অস্ত্র ঢোকাচ্ছে। পাকিস্তানকে সেই সমস্ত অস্ত্র সাপ্লাই দিচ্ছে চিন।

গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে চিন নির্দেশ দিয়েছে, গোটা উপত্যকায় অস্ত্রে ছয়লাপ করে দিতে। প্রমাণ স্বরূপ বলা হয়েছে, গত আড়াই মাসে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে যত অস্ত্র উদ্ধার করেছেন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী তার অধিকাংশের গায়েই চিনের চিহ্ন রয়েছে।

পাকিস্তানি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ রুখতে দুর্ভেদ্য দুর্গ তৈরি করেছে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী। নিয়ন্ত্রণ রেখায় যে অঞ্চলগুলি অনুপ্রবেশপ্রবণ সেখানে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও কঠোর করেছে বিএসএফ। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ড্রোনের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে অস্ত্র ঢোকানো হচ্ছে কাশ্মীরে।

সরকারি সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, গোয়েন্দারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, শীত বাড়লেই নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে লোক ঢোকানো শুরু করতে পারে পাকিস্তান। তার কারণ, ওই সময় ঝোপঝাড় বড় হয়। তা ছাড়া তুষারপাতের সময়কেও অনুপ্রবেশের জন্য ব্যবহার করতে পারে পাকিস্তান। তাই এখন থেকেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীকে৷

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের মাধ্যমে হেক্সাকপ্টার কিনেছে পাকিস্তান। অস্ত্র পাঠানোর জন্য সেগুলিকে ব্যবহার করছে।

তবে কাশ্মীরের স্থানীয়রাও যে এ বিষয়ে যুক্ত হচ্ছে তাও বলা হয়েছে গোয়েন্দা রিপোর্টে। যা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীর মধ্যেও। গত ১০ সেপ্টেম্বর নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কাশ্মীর গিয়েছিলেন সেনা প্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। বিএসএফ ও সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে এসেছিলেন তিনি। তার মধ্যেই গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

দিন কয়েক আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলা থেকে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করে গোলাবারুদ-সহ বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ধৃত তিনজন দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার বাসিন্দা। তারা রাজৌরিতে অস্ত্র আনতে গিয়েছিল। অস্ত্রগুলি ড্রোনের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে জানা যায়। ফের সেই ঝুঁকিতেই সিলমোহর বসালো গোয়েন্দা রিপোর্ট।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন