প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

নেই অ্যাম্বুল্যান্স! মহিলার দেহ বাইকে বসিয়ে শ্মশানের পথে পরিবারের দুই সদস্য

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ করোনা ভাইরাস অতিমারির আরও এক হাড়হিম ছবি ধরা পড়ল অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামে। অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে করোনা আক্রান্ত মহিলার দেহ বাইকের মাঝখানে বসিয়ে নিয়ে দাহ করতে নিয়ে গেল পরিবার। 


৫০ বছর বয়সি ওই মহিলা কোভিড -১৯উপসর্গ ছিল। টেস্টও করতে দিয়েছিলেন। কিন্তু টেস্ট রেজাল্ট আসার আগেই মৃত্যু হয় মহিলার। এরপরেই শুরু হয় দুর্ভোগ। সোমবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। 


মৃত্যুর পরে এবার শুরু হল অ্যাম্বুল্যান্স না পাওয়া। কোভিড মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও অ্যাম্বুল্যান্স নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকায় দেহে পচন ধরারও সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে ওই মহিলার দেহ বাইকে বসিয়ে পরিবারের দুই সদস্যই নিয়ে গেলেন শ্মশানে। 

সোমবারই অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে আগ্রায় করোনায় মৃত বাবাকে নিজের গাড়ির রুফটপে মাচায় বেঁধে নিয়ে গিয়ে শ্মশানে দাহ করেন এক যুবক। ৬ ঘণ্টা ধরে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য চেষ্টার পরে আর অপেক্ষা করার মতো অবস্থা ছিল না ওই যুবকের। দেহে পচন ধরারও আশঙ্কা ছিল। শেষমেশ বাবার দেহ নিজের গাড়ির ছাদে মাচা বানিয়ে বেঁধে শ্মশানে নিয়ে যান তিনি।

কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। নিয়ে দেশে এখনও অবধি কোভিডে আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ৩৬ হাজার ৩০৭ জন। গত কয়েকদিনে দেশের দৈনিক মৃত্যুতে রোজই তৈরি হয়েছে নতুন রেকর্ড। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার মৃত্যু কম হলেও তা আড়াই হাজারের উপরেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৭৭১ জন। এ নিয়ে মোট ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৮৯৪ জনের প্রাণ কাড়ল করোনাভাইরাস।

একটা স্ট্রেচারও খালি নেই! স্কুটিতে চড়িয়ে মুমূর্ষু করোনা রোগীকে হাসপাতালের ওয়ার্ডে স্থানান্তর! ভাইরাল ভিডিও…

করনার দ্বিতীয় ঢেউ যেভাবে আছড়ে পড়েছে, তাতে বয়স, আর্থিক সংস্থান বা সামাজিক বৈষম্য বা ধর্মের ভেদাভেদ কিছুই মানছে না। কাউকেই যেন ছেড়ে কথা বলছে না এই মারণ ভাইরাস । তার ওপরে সংকট বাড়িয়েছে অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতি। প্রায় প্রতিদিনই অক্সিজেনের অভাবে দেশের নানা প্রান্ত থেকে বহু রোগীর মৃত্যুর খবর সংবাদের শিরোনামে উঠে আসছে। অসহায়ের মতো পৃথিবীর সুস্থ হওয়ার আশায় দিন গুনছে সাধারণ মানুষ।

অক্সিজেনের ঘাটতি যেভাবে মাঝরাতে ঘুম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষকে দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে, তেমনই প্রতিদিন ঝড়ের গতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে বেডের অপ্রতুলতা বুঝিয়ে দিচ্ছে এখনই আরও সাবধান না হলে, সামনে ভয়ানক বিপদ আসন্ন। বর্তমানে দেশের যা পরিস্থিতি তাতে, প্রায় প্রতি রাজ্যের অবস্থা কমবেশী সমান। কোথাও হাসপাতালে বেড নেই, কোথাও আবার সংক্রমনের বৃদ্ধি এতটাই লাগাম ছাড়া যেখানে, স্ট্রেচার পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। যেমনটা ঘটেছে এ দিন ঝাড়খন্ডে।

এই মুহূর্তে ঝাড়খণ্ডের যা পরিস্থিতি তাতে রোগীর জন্য বেড কেন, একটা স্ট্রেচার পাওয়াও কার্যত একপ্রকার অসম্ভব। ফলে কোনও উপায় না পেয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালের ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে স্কুটিতে চাপিয়ে। এই ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করে রাজ্যের পরিস্থিতি বোঝানোর চেষ্টা করেন কোনও এক নেটাগরিক। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিও । ঘটনাটি পালামউ মেদিনিরাই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের । ঘটনাটি সামনে আসতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালের ওয়ার্ডের মধ্যে এক অসুস্থ রোগীকে তিন যুবক একটি স্কুটিতে চাপিয়ে দিচ্ছেন। এরপর সামনে পিছনে দু’জন বসে তাঁকে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রোগীর মুখে মাস্ক, তবে অসুস্থতায় স্কুটি থেকে নেতিয়ে পড়ছেন তিনি। তবে তাঁকে স্কুটিতে চাপিয়ে কথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন