প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

‘দিদি, হার স্বীকার করে নিন’,সিঙ্গুরকে ঠকিয়েছেন , কৃষিও নেই, চাকরিও নেই: মমতাকে ফের নিশানা মোদীর

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ বাংলায় প্রথম দু’দফার নির্বাচনেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, ২ মে ফলাফল কী হবে। তৃতীয় দফার ভোটের আগে হুগলির হরিপালের জনসভা থেকে এমন মন্তব্যই করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন মোদী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সংস্কৃতিতে সবসময়ই সমৃদ্ধ। সবসময়ই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের পক্ষে রায় দিয়েছে। ২ মে কী ফলাফল হবে, তা নন্দীগ্রামে নির্বাচনের দিনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়বে বিজেপি। প্রথম দু’দফার নির্বাচনেই রায় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আসল পরিবর্তন চাইছে বাংলা।’

তৃতীয় দফার ভোটের আগে বাংলায় ফের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার দুটি জনসভা রয়েছে তাঁর। প্রথম সভা হুগলির হরিপালে। দ্বিতীয় সভাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর দক্ষিণে।

হরিপালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের টার্গেট করে মোদী বলেছেন, ‘যখন কেউ ইভিএম-কে গালাগালি করেন, নির্বাচন কমিশনকে দোষারোপ করেন। তাহলে বুঝতে হবে তাঁর খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। দিদি, আপনার সামনে হার। আপনি এবার স্বীকার করে নিন।নির্বাচন খেলা নয়। গণতন্ত্র খেলা নয়। গণতন্ত্র হল মানুষের সেবার পথ।’

তৃণমূলনেত্রীকে বিঁধে মোদী এদিন আরও বলেন, ‘দিদি বলেছেন, বিজেপি-র সভায় যাঁরা আসেন, তাঁদের নাকি টাকা দেওয়া হয়। এটা বাংলার মানুষের অপমান। বাংলার মানুষ আপনার বিশ্বাসঘাতকার জবাব দেবেন। সিঙ্গুরের সঙ্গে কতবড় প্রতারণা করেছেন? শিল্প, চাকরি নেই।’ নমো আরও বলেন, ‘বাংলা ভাষা বড় মিষ্টি। এখানকার মানুষের ব্যবহার মিষ্টি। তা সত্ত্বেও এত তিক্ততা কেন?’ নিজের অহঙ্কারের কারণে এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু করতে দেননি বলেও এদিন তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মোদী।

হরিপালের সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলায় ডাবল বেনিফিট সরকার হবে। সরকারে এসেই প্রথমে কৃষকদের জন্য কাজ করবে বিজেপি। বাংলায় যেদিন বিজেপি-র মুখ্যমন্ত্রীর শপথ হবে, সেদিন আসব এখানে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, দিল্লির টাকা আনতে সিদ্ধান্ত নিন। ‘

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন