প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

করোনা আপডেট:আরও বৃদ্ধি পেতে পারে করোনা, সব রাজ্যকে চিকিৎসা পরিকাঠামো বাড়ানোর নির্দেশ কেন্দ্রের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ দেশজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছুঁতে চলেছে। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে প্রতিদিন। অসংখ্য নমুনা রোজ পাঠানো হচ্ছে পরীক্ষার জন্য। এই অবস্থা করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তা হলে দেশে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। সে কারণেই সমস্ত রাজ্যকে সতর্ক করে আরও কিছু হাসপাতালের পরিকাঠামো বাড়ানোর পরামর্শ দিলেন ক্যাবিনেট সচিব।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান জানিয়েছে, ভারতে ৮৪ হাজারের জন্য বরাদ্দ একটামাত্র আইসোলেশন বেড। যদি কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হয়, তাহলে একটা বেড ধার্য প্রতি ৩৬ হাজার দেশবাসীর জন্য। শুধু তাই নয়, যদি করোনার সংক্রমণ মহামারী হয়ে দেখা দেয় এ দেশে, তাহলে চিকিৎসা করার মতো ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও অভাব তীব্র হবে। দেখতে গেলে প্রতি ১১,৬০০ জনের জন্য ডাক্তার রয়েছেন একজন। আর প্রতি ১,৮২৬ জন রোগীর জন্য হাসপাতালের বেড রয়েছে একটি। ফলে প্রতিটা রাজ্যের প্রতিটা হাসপাতালকেই যে আরও অনেকটা প্রস্তুতি নিতে হবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
চিকিৎসকরা বারবার বলছেন, বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণকে ঠেকাতে হলে সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক স্তরে মেলামেশাও বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ সংক্রমণ যদি সামাজিক স্তরে গিয়ে ঠেকে (Community Transmission) তাহলে সেই সব রোগীর চিকিৎসা করার জন্য বা সংক্রমণ সন্দেহে আসা মানুষজনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠাবার মতো জায়গার অনেকটাই ঘাটতি রয়েছে। এই সব ভেবেই হয়তো দেশজুড়ে লকডাউনেরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) আধিকারিক মাইক রায়ান বলেছেন, লকডাউনের বদলে সচেতনতা অনেক বেশি উপযোগী। সংক্রামিত রোগীদের খুঁজে বার করে তাদের পরীক্ষা করানো দরকার। তা না হলে সংক্রমণ ঠেকানো যাবে না।
সেই চেষ্টাই চলছে দেশজুড়ে। কিন্তু তবু বিপদের তুলনায় পরীক্ষা এখনও অনেকটাই কম করা হচ্ছে বলে অনুমান করা হচ্ছে নানা মহলে। এই অবস্থায় স্টেজ থ্রি ঠেকাতে সবচেয়ে আগে সামাজিক স্তরে মেলামেশা বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই। কারণ এ দেশে সংক্রমণ মহামারীর চেহারা নিলে তাকে রোখার মতো পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন