প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

করোনা আক্রান্তের বাবা-মা এবং ড্রাইভারের শরীরে মেলেনি Covid-19!

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ রাজ্যের প্রথম করোনা আক্রান্ত হদিশ মিলতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে। শুধু তাই নয়, আতঙ্কের যেন চোরাস্রোত বয়ে গিয়েছে রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় নবান্নে। তবে কেবল নবান্নই নয়, মায়ের সঙ্গে করোনা আক্রান্ত ওই তরুণ গিয়েছিলেন মহাকরণেও। ছেলের সঙ্গে এই পর্যায়ে ছিলেন বাবাও। সেইসঙ্গে ড্রাইভারও। তবে, বুধবার সন্ধাতেই রিপোর্ট এসেছে ওই তরুণের বাবা-মা ও ড্রাইভারের।

আশার খবর হল, তাঁদের প্রত্যেকের রিপোর্টই COVID-19 নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ তাঁরা কেউই করোনা আক্রান্ত নন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে এমনই খবর।
সূত্রের খবর, নবান্ন, মহাকরণ হয়ে ওই তরুণ শপিং মলে যান। পাশাপাশি, বাংলার এক আমলার ওই সন্তান পার্ক স্ট্রিটের একটি ক্লাবেও গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ ওই ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। করোনা আক্রান্ত ওই তরুণের বাবা পেশায় চিকিৎসক। ছেলের সঙ্গে এই সময়ে বেশ অনেকক্ষণ সময়ই কেটেছে তাঁর।


তবে, সন্ধ্যায় যে রিপোর্ট এসেছে তাতে অনেকেই আশার আলো দেখছেন। জানা যাচ্ছে, রবিবার ওই তরুণ ইংল্যান্ড থেকে ফিরেছিলেন। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে যেতে বলা হয়। কিন্তু তিনি যাননি। এরপর সোমবার মায়ের প্রভাব খাটিয়ে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে যান ওই তরুণ। সেখান থেকে তাঁকে ফের বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে যেতে বলা হলেও তিনি যাননি।

উলটে জানিয়ে দেন, ‘আমি যাব না’। এরপর নবান্ন ও কলকাতার একাধিক জায়গায় ঘুরে বেড়ান ওই তরুণ। শুধু তাই নয়, নিজের আবাসনের বন্ধুদের সঙ্গেও ওই তরুণ একাধিকবার আড্ডা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে এখন ক্ষোভ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ওই আবাসনের বাসিন্দারা। ওই তরুণ যে বিমানে কলকাতায় ফিরেছেন, সেই বিমানের প্রত্যেক যাত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাঁদের হোম কোয়ারানটিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।


মা আমলা, বাবা চিকিৎসক- এর পরেও ওই তরুণের পরিবারের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ সকলেই। তবে, বেলেঘাটা আইডি সূত্রে খবর, ওই তরুণের অবস্থাও আপাতত স্থিতিশীল। তাঁর বাবা-মা ও গাড়ির ড্রাইভারকেও বেলেঘাটা আইডিতে ভরতি করা হয়েছে। তাঁদের শরীরেও এখনও করোনা উপসর্গ ধরা পড়েনি। তাঁদের সকলেরই লালরসের নমুনা সংগ্রহ করে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের তরফে পুনে নাইসেডে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই রিপোর্টের নমুনাই এসেছে। তাতে রিপোর্ট নেগেটিভ। তবে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হলেও তাঁদের রাজারহাটে কোয়ারানটিনে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন