প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা জানিয়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা ,বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল সরকার! ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার ডাক মোদীর , যুব সমাজকে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী? দেশজুড়ে শুরু ১০০ সপ্তাহের বিশেষ অভিযান অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও

এ বছর শীত হবে উষ্ণ (warmer winter)জানিয়েছে মৌসম ভবন

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েব ডেস্কঃ নভেম্বর মাস শেষ হওয়ার দু’দিন আগেও শীতের দেখা নেই কলকাতায়। ছবিটা ভারতের অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও অনেকটা একই। জাঁকিয়ে শীত পড়ার বদলে কেবল হাল্কা আমেজই অনুভব করছে জনতা। কোথাও আবার প্রাক শীতের পরশটুকুও মিলছে না। এরই মধ্যে মৌসম ভবন (আইএমডি) জানিয়েছে, এ বছর স্বাভাবিকের তুলনায় ভারতে শীত পড়বে কম। অর্থাৎ অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি মরশুমে পারদ পতন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আইএমডি এও জানিয়েছে এ বছর শীত হবে বেশ উষ্ণ (warmer winter)। অর্থাৎ তাপমাত্রা সে ভাবে কমতে বোঝা যাবে না।

আইএমডি-র পূর্বাভাস, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি ছাড়া বাকি সব জায়গাতেই মরসুমের গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় এক ডিগ্রি বেশি থাকবে। আগামী তিন মাস অর্থাৎ ডিসেম্বর, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কোর কোল্ড ওয়েব জোন (CWZ) এলাকায় শীতল বায়ুপ্রবাহের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে আইএমডি। এই CWZ জোনের মধ্যে যে রাজ্যগুলি পড়ে সেগুলি হল পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, তেলেঙ্গানা। এছাড়াও রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়া, বিদর্ভ এবং সৌরাষ্ট্রের মেটিওরোলজিকাল সাব-ডিভিশন। আইএমডি-র রিপোর্ট অনুযায়ী এই CWZ এলাকায় আগামী তিনমাস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশিই থাকবে।

মিনিস্ট্রি অফ আর্থ সায়েন্সের সেক্রেটারি এম রাজীবনের কথায়, ২০১৯ সালই সম্ভবত দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর হতে চলেছে। রাজীবন আরও বলেছেন যে এখনও পর্যন্ত এল নিনো পরিস্থিতি কার্যকর রয়েছে বলেই ক্যালেন্ডারের মাস অনুযায়ী শীতের আগমন হওয়ার কথা থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশিই থাকছে। তবে মৌসম ভবনের অনুমান, আসন্ন শীতে তাপমাত্রা স্বাভাবিক জায়গাতেই পৌঁছে যাবে। তবে সব রাজ্যের ক্ষেত্রে এমনটা নাও হতে পারে। বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই হয়তো শুষ্ক-রুক্ষ আবহাওয়া বজায় থাকবে। শীত এলেও সেভাবে উষ্ণতা কমবে না।

ডিসেম্বরের ১১ তারিখ পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনটাই থাকতে পারে বলে অনুমান আবহবিদদের। পাশাপাশি হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মধ্য ভারত এবং পশ্চিমের বেশ কিছু এলাকা যেমন কর্ণাটকের কিছু অংশ এবং হিমাচলপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরের দক্ষিণভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি হতে পারে। তাই আবহাওয়া দফতরের অনুমান অনুযায়ী এটা ধরেই নেওয়া হয়েছে যে চলতি মরশুমে উষ্ণতম শীতের সম্মুখীন হবে সারা ভারত।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন