প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

একুশ-এর খেলায় গোলরক্ষক আমিই : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে সিবিআই নোটিশ দেওয়ার ইস্যুতে কড়া প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রসঙ্গ উল্লেখ না করেই তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। ভাষা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘ধমকানি চমকানি জেল দেখিয়ে আমাদের ভয় দেখাবেন না। ওসব আমরা পেরিয়ে এসেছি। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আমার দেহে যতক্ষণ প্রাণ থাকবে ততক্ষণ কোনও ধমকানির কাছে আমি নত হব না।’ পরে তিনি বলেছেন, ‘২১-এ একটাই খেলা হবে, আমি হব গোলরক্ষক। হারতে আমরা শিখিনি, আমাদের হারানো যাবে না।’


দেশপ্রিয় পার্কের অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা বাংলায় এসে সুড়সুড়ি দেয়, ব্যঙ্গ করে তারা ‘বাংলা’র নামটা করল না। চার বছর ধরে ফেলে রেখেছে। চিরকাল দেখছি, বাংলার প্রতি বঞ্চনা করা হচ্ছে, কেউ বাংলায় বড় হয়ে গেলে দেখছি, টেনে নামানোর একটা চক্রান্ত হচ্ছে।’

অভিযোগের সুরে তিনি বলেন, ‘আমি তো শুনছি, দিল্লির অনেক নেতা কখনও কখনও বলছে, বাংলার মেরুদন্ড কী করে ভেঙে দিতে হয় আমরা জানি। চেষ্টা করে দেখুন, আগেও তো করেছেন। আমরা তো বন্দুকের সঙ্গে লড়াই করে এসছি। ভয় পাবো কেন? আমাদের মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া অত সহজ নয়।’ তাঁর সংযোজন, ‘এই মাটিই আমায় শিখিয়েছে, কাউকে দেখে ভয় না পেতে। বাঘের মতো লড়াই করতে।’

বক্তব্যের একদম শেষে এরপর নিজের একটি লেখা পাঠ করেন তিনি। সেখান থেকেই ২১ সালের ভোটের প্রসঙ্গে আসেন তিনি। মমতা বলেন, ‘২১ শে চ্যালেঞ্জ হবে। ২১ শেই আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করি এবং ২১ শেই চ্যালেঞ্জ হোক। দেখি, কার জোর কতটা। ২১ শে একটা খেলা হবে, কারা হারে, কারা যেতে দেখব। আর তাতে যদি আমায় জেলেও পাঠিয়ে দেয়, তবে জেল থেকেই ডাক দেব, জয়বাংলা। আমরা কারো পরোয়া করি না।’ তাঁর আবেদন, ‘এরপর থেকে হ্যালো বলবেন না, ফোন আসলে ধরে বলবেন, জয়বাংলা।’

সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে নিজের লেখা কবিতা ‘একুশে’ আবৃত্তি করে শোনান মুখ্যমন্ত্রী।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন