Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর দিল্লিতে মোদীর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ , প্রধানমন্ত্রীকে বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি উপহার, কী জানালেন শুভেন্দু?

deshersamay

Share article:

শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পালাবদলের পরে দিল্লিতে এই প্রথম সাক্ষাৎ। রাজ্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা কেমন হবে—তা নিয়ে আলোচনা হয় দু’জনের মধ্যে। সূত্রের খবর, রাজ্যের জন্য বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় তাঁর সামনে। প্রধানমন্ত্রীকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি উপহার দেন শুভেন্দু।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম দিল্লি সফরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী । আজ রাজধানীতে একগুচ্ছ ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক। শপথগ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই হতে চলেছে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছে গিয়েছেন শুভেন্দু। সাধারণত, নতুন কোনও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন, সেই প্রথা মেনেই শুভেন্দু অধিকারীর এই দিল্লি সফর। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই বৈঠক শুধু সৌজন্যের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাংলার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং আগামী দিনে রাজ্যের অগ্রগতির রূপরেখা নির্ধারণে এই আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।

সূত্রের খবর, এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত সরকারকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন বেঁধে দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের অর্থাৎ ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের উন্নয়নের গতিপথ কোন দিশায় এগোবে, সে বিষয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষ পরামর্শ দেবেন তিনি। পাশাপাশি, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দু’ সপ্তাহে নতুন সরকার রাজ্যে কী কী জরুরি পদক্ষেপ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই প্রশাসনিক খতিয়ানও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবিস্তার তুলে ধরবেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই বৈঠকের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের নজর থাকবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। বিশেষ করে রাজ্যের বর্তমান দুর্বল অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর প্রেক্ষিতে ভঙ্গুর আর্থিক দশা কাটাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুভেন্দু অধিকারী বিশেষ কোনও আর্থিক প্যাকেজের আবেদন জানান কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। একই সঙ্গে রাজ্যের দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা মেটানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রের পরবর্তী ভাবনা এবং সে ক্ষেত্রে রাজ্যের আশু কর্তব্য কী হতে পারে, তা-ও এই আলোচনায় উঠে আসতে পারে। এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প স্থাপন-সহ অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে বড়সড় বিনিয়োগ টানতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আগামী দিনে কীভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করা হবে, তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে সদর্থক আলোচনা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিকেলের এই বৈঠকের আগে, আজ সকাল থেকেই দিল্লিতে ঠাসা কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ দিন দিল্লিতে ঠাসা কর্মসূচি ছিরাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ আরও অনেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ দিন শুভেন্দু বলেন, ‘শুধু ভাষণ দিলে হবে না, কাজ করতে হবে সাধারণ মানুষের জন্য৷ সারা দেশে বিএনএস চালু হয়েছে, বাংলায় তা লাগু করা হয়নি আগে৷ বাংলায় জনগণনার কাজও শুরু করা হয়নি৷ এই জনগণনার কাজ রাষ্ট্রের কাজ, সেটাও আটকে রাখা হয়েছিল৷ বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়নি৷ এই কাজগুলি আমরা প্রথমেই করেছি৷’

আজ সকালেই তিনি প্রথমে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে। রাজনাথের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি সোজা চলে যান রাইসিনা হিলসে এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে এক দফা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে রেখেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.