

পশ্চিমবঙ্গে নতুন ইতিহাস তৈরি হল । বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেডের মাঠে সকালে শপথগ্রহণ করতে চলেছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।

শুক্রবার বিকেলে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক বসে। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিতে নেতা নির্বাচিত করা হয় শুভেন্দুকে।

অমিত শাহ জানান, পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম উঠে এসেছে। তিনি জানান, যাঁরা প্রস্তাব দিয়েছেন, তাঁরা সকলেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম বলেছিলেন। আর কোনও নাম উঠে আসেনি।

পর পর দুই বিধানসভা ভোটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাস্ত করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিশেষ করে ভাবনীপুরে এবার মমতাকে হারানোটা নিছক জয় নয়, বরং সেই লড়াই যেন ছিল বাংলায় পরিবর্তনের আধারশিলা। ভাবনীপুরে শুভেন্দু অধিকারী প্রার্থী হওয়াটাই রাজ্যে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয় যে বিজেপি এবার অনেক বেশি সিরিয়াস। সেই লড়াইয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার পর শুভেন্দুর আর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। বরং স্বপন দাশগুপ্তর মতো মোদী-অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ নেতারাও বলতে শুরু করেছিলেন, ‘বাংলায় শুভেন্দুই বিজেপিকে লড়াই করতে শিখিয়েছেন’।

ভোটের ফল ঘোষণার পর তাই এ ব্যাপারে আর রহস্য বাকি ছিল না। বরং ৪ মে সন্ধেতেই দেওয়াল লেখা হয়ে গেছিল যে শুভেন্দুই হতে চলেছেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। এমনিতে অমিত শাহর অন্যতম আস্থাভাজন হলেন শুভেন্দু। শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি বিমান থেকে নামার পর যেভাবে শুভেন্দুর পিঠ চাপড়ে দেন, তাও যেন ছিল প্রতীকী। ওই ছবিটাতেই ছিল প্রশংসা ও ছবিটাতেই ছিল সিলমোহর।




