

কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ভেঙে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে উড়ে এল রহস্যময় ড্রোন। শনিবার দুপুরে মালদায় মালতীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) জনসভায় চাঞ্চল্য। জনসভা শেষের পরে পরবর্তী গন্তব্যে রওনা হওয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে একটি ড্রোন দেখা যায়। উড়ন্ত ড্রোনের দিকে নজর যেতেই ক্ষুব্ধ হন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোথা থেকে এল ড্রোনটি এবং কে ওড়াচ্ছে সেটি, তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন তিনি। ড্রোনটির গতিবিধি ছিল রহস্যজনক বলে দাবি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মালদার মালতীপুরে জনসভা শেষ করে হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময়ে মাথার উপরে একটি ড্রোনকে উড়তে দেখেন নেত্রী। সঙ্গে সঙ্গে ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে তিনি জানতে চান, এই ড্রোন কেন উড়ছে। মাইক হাতে নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পুলিশের এটা নজরে রাখা দরকার। যারা করেছে, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।’ মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন বার্তা পেয়ে হুলস্থূল শুরু হয়ে যায়।

শনিবার দুপুর ১টা নাগাদ চাঁচল মহকুমার মালতিপুর বিধানসভার সামসি কলেজ মাঠে তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মালতিপুরের তৃণমূল প্রার্থী আব্দুর রহিম বক্সী, হরিশ্চন্দ্রপুরে দলীয় প্রার্থী মতিবুর রহমান , রতুয়ার প্রার্থী সমর মুখোপাধ্যায় এই সভা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন । প্রায় ৩৪ মিনিট মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

এর পরে সভা শেষ করে সভামঞ্চের পাশে হেলিপ্যাডে যান। সেই সময়ে কপ্টারে পাশে দাঁড়িয়ে দলের প্রার্থী এবং কয়েকজন নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আচমকাই দাঁড়িয়ে থাকা হেলিকপ্টারের মাথার ওপর একটি ড্রোনকে বনবন করে ঘুরতে দেখেই হতচকিত হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষীদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন ও পুলিশকেও খোঁজ নিয়ে দেখতে বলেন। যদিও এর পরেই গাজোলের উদ্দেশে রওনা হয়ে যান মমতা।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের একটি নির্বাচনী প্রচার সংস্থার পক্ষ থেকে ড্রোনটি ওড়ানো হয়েছিল। এর পরেই নামিয়ে নেওয়া হয় ড্রোনটিকে।





