মোথাবাড়ির পরে গাইঘাটা ! এবার BLO-কে আটকে রাখার অভিযোগে উত্তাল গাইঘাটা

0
54

মোথাবাড়ির পরে গাইঘাটা। ভোটার তালিকায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগে বুধবার সাত জুডিশিয়াল অফিসারকে ঘিরে রাখার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে মালদার মোথাবাড়ি। এ বার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় একই কারণে BLO-কে ঘিরে বিক্ষোভ, হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের ইছাপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভোটার তালিকা নিয়ে ছড়ায় উত্তেজনা। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ৯৭/৩৮ পার্টের বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) নমিতা দাস প্রামাণিককে আটকে রাখেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। তাঁকে হেনস্থাও করা হয় বলে অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় বেশ কয়েকজন ভোটার, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বিএলও-র কাছের ব্যাখ্যা চাইতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় বিএলও-কে ঘিরে রাখা হয় এবং কটু কথাও বলা হয়।

BLO নমিতা দাস প্রামাণিক অভিযোগ করেন,‘ওরা আমাকে বলতে থাকে আমি নাকি টাকা নিয়ে নাম কাটিয়ে দিয়েছি। আমার উপর রীতিমতো চড়াও হয়। আমাকে উল্টোপাল্টা কথা বলতে থাকে।’

এর পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ওই BLO বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO)-কে জানান। এর পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে। ঘটনার পরে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং নিজের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। গাইঘাটা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস জানান, স্থানীয় মানুষ তাদের ভোট কেন কাটা গেল তা জানতে গিয়েছিলেন। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়। অন্য দিকে, বিজেপির বনগাঁ জেলার সভাপতি বিকাশ ঘোষ অভিযোগ করেন, ‘তৃণমূল নেতৃত্বের প্রভাবেই বিএলও-রা ম্যাপিংয়ে ভুল করছেন এবং এর দায় তৃণমূল কংগ্রেসের।’ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

Previous articleমমতার কপ্টারের কাছে ‘রহস্যময়’ ড্রোন! নজর পড়তেই খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী
Next articlePakistan On India:”কলকাতায় হামলা চালাবো, যদি..” !‘হুমকি’ পাক প্রতীরক্ষামন্ত্রীর , তবে কি ফের ‘যুদ্ধের’ আশঙ্কা ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here